শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পেঁয়াজের দাম নিয়ে হতাশ চাষিরা

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৫, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পেঁয়াজের দাম নিয়ে হতাশ চাষিরা
পেঁয়াজের দাম নিয়ে হতাশ চাষিরা

ফরিদপুরের মধুখালীর বিভিন্ন হাটে পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করছেন চাষিরা। এবার পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। উপজেলার মধুখালী পৌরসদরের সবচেয়ে বড় বাজার শুক্রবার ও সোমবার দুদিন জমে পেঁয়াজের হাট। এ হাটে উপজেলার বাগাট, নওপাড়া, কোরকদী, মেগচামী, জাহাপুর, রায়পুর, কামালদিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করেন চাষিরা।

মৌসুমে প্রতি হাটে মধুখালী থেকে ২৫ থেকে ৩০ জন আড়ৎদারের ঘর থেকে প্রায় এক লাখ মণ পেঁয়াজ রাজধানী ঢাকা, বরিশাল, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যাপারীরা কিনে নিয়ে যান। প্রতি মণ পেঁয়াজ ১ হাজার ১০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত পাইকাররা কিনছেন, যা খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। 

মধুখালী বাজারের আড়ৎদার মো. আতিয়ার মোল্যা ভোরের আকাশকে বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজের প্রচুর আমদানি হয়েছে। দাম আরও পরে বাড়তে পারে। বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা একাধিক কৃষক বলেন, মণ প্রতি খরচ করেছি এক হাজার থেকে ১১শ টাকা, তা পাচ্ছি না। যে দামে বিক্রি করছি, তাতে আমাদের কৃষিকাজ করে জীবন চালানো কষ্টকর। ঈদকে সামনে রেখে টাকার আশায় অনেকে নিরুপায় হয়ে এ দামেই বিক্রি করছেন।

কামালদিয়া গ্রামের কৃষক মো. মুহিদ বলেন, প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ করি লাভের আশায়, কিন্তু এ বছরও দাম কম। প্রতি শতাংশ জমিতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি শতাংশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় দুই মণ। বাজারে বর্তমান দামে লোকসান না হলেও লাভ চোখে পড়ছে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মাহাবুব ইলাহী ভোরের আকাশকে জানান, চলতি ২০২৪-২৫ মৌসুমে মধুখালীতে মোট মুড়িকাটা, দানা এবং হালিসহ সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৩ হাজার ৪৫০ হেক্টর।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: