শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গোয়াইনঘাটে শিশু শিক্ষার্থীকে অমানবিক নির্যাতন শিক্ষকের

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৪:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সিলেটের গোয়াইনঘাটে মাদ্রাসা শিক্ষকের বেধড়ক পিটুনির শিকার হয়েছে এক শিশু শিক্ষার্থী। ‘সবক’ (পড়া) দিতে না পারায় ৯ বছরের ওই শিশুকে চেয়ারের নিচে মাথা দিয়ে বেত্রাঘাত করেন শিক্ষক। একপর্যায়ে শিশুটির বুকের উপর পা দিয়ে চাপও দেন তিনি। 

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিকরঘাট ইলিয়াস (রহ.) মাদ্রাসায়। অভিযুক্ত হাফিজ হুজায়েল আহমদ ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক।

নির্যাতিত শিশুটি আবু তালহা গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের জাঙ্গাইল গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে।

নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী আবু তালহা জানান, ‘ঠিকমতো সবক দিতে না পারায় হাফিজ হুজায়েল আহমদ দয়ামিরী হুজুর কয়েকটি জালি বেত একত্র করে আমার মাথা চেয়ারের নিচে দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি আমাকে শুইয়ে দিয়ে বুকের উপর পা দিয়ে চাপ দেন। আমি কোন রকম ছাড়া পেয়ে দৌঁড়ে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী বালুর টেকে এসে অজ্ঞান হয়ে পড়ি।’

শিশু আবু তালহার মা জানান, ‘আমার ছেলেকে অমানবিক নির্যাতনের পর ওই মাদরাসার দুজন শিক্ষক বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব আমার বাড়িতে এসে আমার ছেলের সন্ধান করেন। তারা জানান, মাগরিবের নামাজের পর থেকে তালহার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তালহা নিখোঁজের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে সাংবাদিকরা খোঁজ খবর নিতে থাকেন। আমাদের গ্রামের লোকজনও তালহার খোঁজে বের হন। একপর্যায়ে সালুটিকরঘাটে একটি বালুর টেকের উপর তালহাকে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার জ্ঞান ফিরে আসলে স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সিলেট এম এ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

এ ব্যাপারে ইলিয়াস (রহ.) মাদ্রাসার অভিযুক্ত শিক্ষক হাফিজ হুজায়েল আহমদ বলেন, ‘তালহা দুষ্টামি করেছিল। আমি মুহতামীম সাহেবের নির্দেশক্রমে তাকে কয়েকটি বেত্রাঘাত করেছি।’

ভোরের আকাশ/মো.আ.

শিশু নির্যাতনমাদ্রাসা শিক্ষাসিলেট

শেয়ার করুন: