শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রামেক হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি: ‘৩৩ বা ৫৩ মৃত্যু’ দাবি গুজব, বলছেন পরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে শিশু আইসিইউ সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘৩৩ শিশুর মৃত্যু’ সংক্রান্ত তথ্যকে বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত বলে দাবি করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে আইসিইউ সংকট যে বাস্তবতা অস্বীকার করেননি সংশ্লিষ্টরা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয় আইসিইউ শয্যার অভাবে নির্দিষ্ট সময়ে ৩০টির বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হলে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, সম্প্রতি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ৩৩ বা ৫০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ গুজব।

তিনি জানান, হাসপাতালের আইসিইউতে মূলত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি থাকে, যাদের অনেকেই আগে থেকেই সংকটাপন্ন অবস্থায় আসে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে হাম (Measles) রোগে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি দেখা গেছে। 
সম্প্রতি ১০ জন হাম রোগীর মধ্যে ১ জন শিশু মারা গেছে।

তবে বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, রামেকে শিশুদের জন্য আইসিইউ শয্যা সীমিত হওয়ায় অনেক রোগীকেই অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকতে হয়। 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি অনুমোদন না থাকলেও হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সীমিতসংখ্যক আইসিইউ শয্যা চালু রয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আইসিইউ ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, চাহিদার তুলনায় শয্যা অনেক কম। ফলে অনেক রোগী অপেক্ষায় থাকে—এটা সত্য। কিন্তু প্রচারিত মৃত্যুর সংখ্যাটি সঠিক নয়।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, রাজশাহীতে একটি আধুনিক শিশু হাসপাতাল নির্মিত হলেও এখনো তা পুরোপুরি চালু হয়নি। সেখানে আইসিইউ সুবিধা থাকলেও জনবল ও প্রশাসনিক অনুমোদনের অভাবে কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অবকাঠামো দ্রুত চালু করা গেলে আইসিইউ সংকট অনেকটাই কমে আসবে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আইসিইউ সংকট দেশের প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেরই একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। তবে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে অতিরঞ্জিত বা যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।

সব মিলিয়ে, রামেক হাসপাতালের শিশু আইসিইউ সংকট বাস্তব হলেও ‘গণহারে মৃত্যু’র দাবি নিয়ে দেখা দিয়েছে তথ্য বিভ্রান্তি। সংশ্লিষ্টদের মতে, সংকট নিরসনে প্রয়োজন দ্রুত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, জনবল নিয়োগ ও বিদ্যমান অবকাঠামোর কার্যকর ব্যবহার।

ভোরের আকাশ/এনউব

রামেক হাসপাতাল

শেয়ার করুন: