শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কোরবানির ঈদকে ঘিরে জমজমাট কামারপল্লী

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৫, ৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কোরবানির ঈদকে ঘিরে জমজমাট কামারপল্লী
কোরবানির ঈদকে ঘিরে জমজমাট কামারপল্লী

ঈদুল আজহার আর মাত্র ক’দিন বাকি। কোরবানির প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বরগুনার আমতলীর কামাররা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কামারপল্লীতে চলছে ধারালো দা, ছুরি, চাপাতি তৈরি ও শান দেওয়ার কাজ। 

মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে আমতলী উপজেলার বিভিন্ন বাজার সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, চারদিকে হাতুড়ি পেটানোর টুংটাং শব্দ। কেউ ভারী হাতুড়ি দিয়ে পেটাচ্ছেন দগদগে লাল লোহার খন্ড, আবার কেউ শান দিচ্ছেন ছুরি কিংবা বঁটি-চাপাতি, কেউবা আবার কয়লার আগুনে দিচ্ছেন বাতাস। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ভিড় করছেন কামারপট্টিতে। কেউ পুরনো দা-ছুরি শান দিচ্ছেন, কেউ আবার নতুন কিনছেন। কামারদের মুখে হাসি, কারণ বছরের সবচেয়ে বেশি আয় হয় এই সময়টাতেই।

স্থানীয় কামার মানিক কর্মকার বলেন, “ঈদের ১০-১২ দিন আগে থেকেই কাজের চাপ বেড়ে যায়। এখন দিনে প্রায় ২০-২৫টা দা বা ছুরি শান দিতে হয়।”  

দামের বিষয়ে কামাররা জানান, এ বছর দা-ছুরির দাম কিছুটা বেড়েছে। সাধারণ দা বিক্রি হচ্ছে ২৫০–৩০০ টাকা, ছুরি ১০০–১৫০ টাকায়, চাপাতি ৪০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত। ঈদের আর কয়েকদিন বাকি। এর আগ পর্যন্ত বিরামহীনভাবে চলবে কামারদের কোরবানির প্রস্তুতির এই শ্রমজীবন।

একই কথা জানান কামার তপন কর্মকার। তিনি বলেন, “গরম, ধোঁয়া, ঘাম সবকিছু সয়ে কাজ করছি। কারণ ঈদের মৌসুমই আমাদের মূল উপার্জনের সময়।”

ক্রেতারাও সন্তুষ্ট। স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ ইমরান হোসাইন বলেন, “এই সময় কামারপট্টির উপরই নির্ভর করতে হয়। ভালো ধার দিলে কোরবানির কাজও সহজ হয়।”

কামাররা জানিয়েছেন, এবার দা, ছুরি ও চাপাতির দাম কিছুটা বেড়েছে লোহা ও কয়লার মূল্য বৃদ্ধির কারণে। তবু ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরা।

আমতলী উপজেলার চুনাখালী বাজারের  আরেক ক্রেতা লাল গাজী বলেন, ঈদে নামাজ শেষে আমরা নিজেরাই পশু জবাই করি। তাই লৌহজাত সামগ্রী কিনতে এসেছি। এসে শুনতেছি গত বছরের চেয়ে এবার দাম অনেক বেশি চাচ্ছেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

আমতলীর কামাররাবরগুনাকোরবানি

শেয়ার করুন: