শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশুলিয়া

স্পেকট্রাম ট্রাজেডির ২১ বছর, বিচারহীনতায় ক্ষোভ

আশুলিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

শিল্পাঞ্চল সাভারের আশুলিয়ায় বহুল আলোচিত স্পেকট্রাম ট্রাজেডির ২১ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন শ্রমিকরা। নিহতদের স্মৃতি আর বিচারহীনতার বেদনা বুকে নিয়ে তারা আবারও রাস্তায় নেমেছেন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল মোড়ে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছলে শ্রমিকদের কণ্ঠে ছিল ক্ষোভ, হতাশা আর ন্যায়বিচারের জোর দাবি।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ কর্মসূচির সঞ্চালনা করেন আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি নাজমুল হক। এতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন শ্রমিক নেতা মাসুদ রানা সুলতানসহ অন্যান্য নেতারা।

বক্তারা বলেন, ২০০৫ সালের ১১ এপ্রিল ভোরে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকায় স্পেকট্রাম সোয়েটার লিমিটেড ভবন ধস দেশের পোশাক খাতের ইতিহাসে এক হৃদয়বিদারক অধ্যায়। ওই দুর্ঘটনায় ৬৪ জন শ্রমিক প্রাণ হারান, আহত হন কয়েক শতাধিক। অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

তাদের অভিযোগ, ছয় তলা ভবনের অনুমোদিত ভিত্তির ওপর অবৈধভাবে আরও তিন তলা নির্মাণ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং অতিরিক্ত ভারী যন্ত্রপাতির চাপ-এসবের সম্মিলিত ফলেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এটি ছিল চরম অব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিক নিরাপত্তার প্রতি নির্মম অবহেলার প্রতিফলন।

মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুই দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ভুক্তভোগী শ্রমিক ও তাদের পরিবার এখনও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত। মামলার বিচার প্রক্রিয়াও দীর্ঘসূত্রতায় আটকে আছে, যা তাদের হতাশা আরও গভীর করছে।

কর্মসূচি থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবি গুলো হলো,স্পেকট্রাম ট্রাজেডির মামলার দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার,ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন,গার্মেন্টস খাতে নিরাপত্তা নীতিমালার কঠোর বাস্তবায়ন,শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

মানববন্ধনের শেষ দিকে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়। বক্তারা বলেন, এই মৃত্যু শুধু সংখ্যা নয়-প্রতিটি ছিল একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন। তারা ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

২১ বছর পরও যখন বিচার অধরাই, তখন স্পেকট্রামের ধ্বংসস্তূপ যেন এখনো প্রশ্ন তোলে-শ্রমিকের জীবন কি এতটাই সস্তা?

ভোরের আকাশ/ র.ই

ট্রাজেডিমো. ফরিদুল ইসলাম

শেয়ার করুন: