শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হাড়কাঁপানো শীতে নওগাঁয় কাজ না পেয়ে বিপাকে নিম্নআয়ের মানুষ

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

নওগাঁয় পৌষের শুরু থেকেই বেড়েছে শীতের তীব্রতা। দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। কুয়াশা আর হিম বাতাসে জবুথুবু অবস্থা এ অঞ্চলের মানুষের। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে দিনমুজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। অনেক দিনমজুর শীত উপেক্ষা করে বেরিয়েও কাজ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। সেইসঙ্গে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে এ জনপদ। ঘন কুয়াশা আর হিম বাতাস থাকায় খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া তেমন কেউ বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। গত কয়েকদিনে এই জেলায় ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রীর ঘরে তাপমাত্রা উঠানামা করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কাকডাকা ভোরে কাজের খোঁজে গ্রাম থেকে এসে মুক্তির মোড়, ব্রিজের মোড়, শিবপুর ব্রিজ (বাইপাস) এলাকায় জড়ো হয়েছেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমের বিনিময়ে জীবিকা নির্বাহ করা এসব শ্রমজীবীরা পেটের তাগিদে বসে থাকা প্রায় সবার সঙ্গেই রয়েছে মাটি কাটা ঝুঁড়ি আর কোদাল। তবে একদিকে শীতের কষ্ট অন্যদিকে অনেককেই কাজ না পাওয়ার বেদনা নিয়ে ফিরে যেতে হয় শূন্য হাতেই।

মুক্তির মোড়ে বসে থাকা ৬৫ বছর বয়সী আবুল কাশেম বলেন, ‘মাঝে কিছুদিন শীত কম ছিল। কিন্তু কয়েক ধরে প্রচুর শীত পড়ছে, সঙ্গে বাতাস বইছে। এই শীতে বাড়ি থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। তারপরও পেটের তাগিদে কাজে বের হতে গিয়ে সর্দি-কাশি লেগেই থাকছে। আমরা তো দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ। আয় কমে যাওয়ায় খুব সমস্যায় পড়েছি।’

তছলিম নামে আরেক শ্রমজীবী বলেন,‘ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীত। সাইকেল নিয়ে কাজে বের হলে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। গরিব মানুষ, কাজ না করলে আমাগে চলবো না। শীতে যত কষ্টই হোক কাজে আসতে হয়। গত দুই থেকে কোনো কাজ পাইনি। এসে এসে ঘুরে যাই।’

ব্রিজের মোড়ে কাজের সন্ধানে আসা ৬৫ বছর বয়সী হাজের আলী বলেন,‘রোদসহ নানা কিছুর ওপর নির্ভর করে আমাদের কাজ পাওয়া। শীত আসার পর থেকে কাজ নাই। পারিশ্রমিক কম দিলেও যা কাজ পাই তাই করি। কেউ কাজ পায় আবার কেউ পায় না। কাজ না পেলে বাড়ি ফিরে গিয়ে বসে থাকতে হয়।’

ভোরের আকাশ/মো.আ.


 

শীত ও কুয়াশানওগাঁ

শেয়ার করুন: