শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সেন্টমার্টিনে জেলের জালে উঠলো ৬৮৭টি লাল কোরাল, ১০ লাখে বিক্রি

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার 

প্রকাশ : ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

সেন্টমার্টিন দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ। ৬৮৭টি লাল কোরাল মাছ বিক্রি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা দামে, যা পেয়ে খুশিতে আত্মহারা ট্রলার মালিক ও জেলে পরিবারগুলো।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্রলার মালিক মোহাম্মদ জাকারিয়া (৪১)। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া ফিশারিজ ঘাট থেকে মোহাম্মদ জাকারিয়ার মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলার বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে যাত্রা করে। ট্রলার মাঝি আবুল কালামের নেতৃত্বে ট্রলারে ছিলেন মোট ৯ জন মাঝিমাল্লা। ওইদিন সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর পাশের গভীর সাগর এলাকায় ট্রলারটি নোঙর করে জেলেরা জাল ফেলেন। পরদিন বুধবার সকালে জালে ধরা পড়ে এসব লাল কোরাল মাছ। পরে বিকেলে ট্রলারভর্তি মাছ নিয়ে জেলেরা শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া ফিশারিজ ঘাটে ফিরে আসেন।

ট্রলার মালিক মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, “মোট ৬৮৭টি লাল কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। এর মধ্যে ১০টি মাছ রেখে বাকি ৬৭৭টি মাছ বিক্রি করেছি। প্রতিটি মাছের ওজন আনুমানিক ১ থেকে ৩ কেজি। প্রতি মণ ২৩ হাজার টাকা দরে মোট ১০ লাখ টাকায় মাছগুলো বিক্রি হয়।” স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রহিম উল্লাহ বলেন, “আমি ১০ লাখ টাকায় মাছগুলো কিনেছি। এগুলো কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হবে।” স্থানীয় ট্রলার মালিক শহীদ উল্লাহ জানান,“কয়েকদিন ধরে সাগরে তেমন মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার থেকে হঠাৎ করে ভালো মাছ ধরা পড়ছে, যা জেলেদের জন্য আশার খবর।”

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারা বেগম তাজকিরা বলেন, “কোরাল মাছ সাধারণত বঙ্গোপসাগরের গভীর জলের মাছ। এই মাছের ওজন ১ থেকে ৯ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এটি উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের মাছ এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া এশিয়ার উত্তরাঞ্চল, কুইন্সল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চল এবং পূর্ব আফ্রিকার পশ্চিমাঞ্চলেও এই প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।” বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ ধরা পড়ায় জেলেপল্লিতে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে।

ভোরের আকাশ/র.ই


 

কোরাল মাছকক্সবাজারউম্মুল ফারা বেগম তাজকিরা

শেয়ার করুন: