জামায়াত আমীর শফিকুর
‘জনগণ দল-গোষ্ঠী পরিববারতন্ত্রের বস্তাপঁচা রাজনীতি চায় না’

বাংলাদশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, ছব্বিশে আধপিত্যবাদ ও ফ্যাসবিাদবরিোধী যুদ্ধে শহিদদের হত্যাকারীদরে কোন ছাড় নয়। জনগণ আর দল-গোষ্ঠী পরিবারতন্ত্রের বস্তাপঁচা রাজনীতি চায় না। এ সময় তিনি চোরাই পথে আর কাউকে বিজয়ী হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি করেন।
তিনি মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারনার অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জামায়াতের আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, কিশোরগঞ্জ শিল্পভিত্তিক জেলা নয়, এটি একটি কৃষিনির্ভর জেলা। তাই কৃষিকে কেন্দ্র করেই উন্নয়নের পরিকল্পনা নিতে হবে। আমরা কথা দিচ্ছি, ইনশাআল্লাহ কৃষিকে শিল্পে পরিণত করবো।
জামায়াত আমির বলেন, দেশ থেকে বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেই অর্থ ফেরত আনা গেলে উন্নয়ন সম্ভব। তিনি বলেন, পাচার করা টাকা পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে আনা হবে। সেই টাকায় স্থানীয় পর্যায়ে কৃষিভিত্তিক শিল্পপ্রতষ্ঠিান গড়ে তোলাসহ নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি আরও বলেন, এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত কারো ভোটে হাত দিতে পারবে না। কেউ কোনো ক্ষতি করতে এলে তাকে ছাড়ও দেওয়া হবে না।কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক রমজান আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ ৬টি আসনের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন।
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, জাতি পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের পথেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, অনেকে বলেন জামায়াতের সরকার হবে বা ইসলামি দলের সরকার হবে। আমরা জামায়াতের সরকার চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের সরকার চাই।
নির্বাচনী এ জনসভায় যোগ দিতে সকাল থেকেই জেলার ১৩টি উপজেলা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী জনসভায় যোগ দেন। কড়া রোদ উপক্ষো করে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে কটিয়াদী সরকারি কলজে মাঠে। অনেকে মাঠে জায়গা না পেয়ে কেউ কেউ অবস্থান নেন র্পাশ্বর্বতী সীমানা প্রাচীর, রাস্তাঘাট এবং দালানরে ছাদেও।
বেলা ১১টার দিকে ডাঃ শফকিুর রহমান মঞ্চে আসেন এবং প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে তিনি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে নিজ নিজ প্রতীক তুলে দিয়ে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় তিনি দুর্নীতি-শোষন ও চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গড়তে জোটের প্রার্থীকে বিজয়ীকে করতে জনগণের কাছে ভোট চান।
ভোরের আকাশ/ র.ই