শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ

আশরাফুল ইসলাম সুমন,স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট প্রদান করছেন কৃষি  সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপপরিচালক ড. মোস্তফা এমরান হোসেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফ্লাড রিকনস্ট্রাকশন ইমারজেন্সি এসিসটেন্স প্রজেক্ট (FREAP) প্রকল্পের আওতায় ০৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষকের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষক প্রশিক্ষণ এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। সোমবার (১৫ জুন) থেকে শুরু হয়ে ১৮ জুন (বুধবার) সমাপ্ত হয়েছে।

প্রশিক্ষণে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নির্বাচিত উদ্যোক্তা/কৃষকগণ অংশগ্রহণ করেন এবং বর্তমান আধুনিক কৃষির তথা উচ্চমূল্য ফসল উৎপাদন কলাকৌশল সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানলাভ করেন। 'ফ্রিপ' এর সুনির্দিষ্ট বিষয়াবলীর পাশাপাশি কীভাবে নতুন নতুন খামার গড়ে তুলতে পারেন সে বিষয়েও তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

প্রায় ১৫ বছর যাবৎ চাষাবাদের সাথে সম্পৃক্ত প্রশিক্ষণ নিতে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল- মোহাম্মদপুর এলাকার উদ্যোক্তা মোয়াজ্জেম হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন, 'আমি ১২ বিঘা জমিতে টমেটো, করলা, শসা, বেগুন, তরমুজসহ বিভিন্ন শাকসবজি চাষ করে থাকি। প্রশিক্ষণে এসে চাষাবাদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, শস্য আহরণ, বাজারজাতকরণ, মার্কেটিং পলিসিসহ কিছু বিষয়ে নতুন ধারণা পেয়েছি; যা আমার অনেক উপকার হবে।'

৩ দিনব্যাপী হওয়া এই প্রশিক্ষণে বিশেষ স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আজিজুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপপরিচালক ড. মোস্তফা এমরান হোসেন, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মুন্সী তোফায়েল হোসেন, ড. মো. জামাল উদ্দিন, প্রধান বৈজ্ঞনিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট- কুমিল্লা, মো. আল মামুন শিকদার- ডিপিডি বি-স্ট্রং প্রকল্প। এছাড়াও জেলা পর্যায়ের উপপরিচালকগণ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে কৃষি  সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপপরিচালক ড. মোস্তফা এমরান হোসেন উপহার সামগ্রী, সম্মানী এবং সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

'ফ্রিপ' এর প্রকল্প পরিচালক ড. তৌফিকুর রহমানের বরাতে জানা যায়, ফ্লাড রিকনস্ট্রাকশন ইমারজেন্সি এসিসটেন্স প্রজেক্ট (ফ্রিপ) কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক এপ্রিল ২০২৩ হতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এর অর্থায়নে হাওড় ও

আকস্মিক বন্যাপ্রবণ এলাকার ৪টি বিভাগের ৭টি জেলার ৬৫টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।

অনাবাদি পতিত জমি চাষের আওতায় আনা ও পানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এলএলপি বিতরণ, ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম স্থাপন, বারিড পাইপ স্থাপন, সৌরবিদ্যুত চালিত সেচ সিস্টেম স্থাপন করা হচ্ছে। কৃষিতে শ্রমিক সংকট দূরীকরণ, উৎপাদন খরচ কমানো, সঠিক ও সময়মত ফসল বপন/রোপণ ও কর্তনসহ কৃষি যান্ত্রিকীকরণের জন্য প্রকল্প এলাকায় গঠিত কৃষক গ্রুপের মাঝে গার্ডেন টিলার, ড্রায়ার, বেড প্লান্টার, পাওয়ার থ্রেসার ইত্যাদি কৃষি যন্ত্রপাতি ভর্তুকি মূল্যে (৭০%) কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন

ঝালকাঠির যুবলীগ নেতা বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার

কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য এ প্রকল্পে ফসল ও প্রযুক্তি প্রদর্শনীর সংস্থান রাখা হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু অভিঘাত সহনশীল ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তি যেমন ভাসমান বেডে সবজী চাষ, বিনা চাষে রসুন চাষ, বস্তায় সবজি চাষ, এডব্লিউডি, বসতবাড়িতে ফল ও সবজি চাষ, কমিউনিটি গার্ডেনিং, সিড ভিলেজ, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় ভার্মি কম্পোস্ট ইত্যাদি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে হাওড় অঞ্চলের কৃষকের আর্থ- সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে এবং টেকসই জীবিকায়ন নিশ্চিত হবে।

প্রকল্পটির আওতায় সময়োপযোগী কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে শতকরা ২ (দুই) ভাগ শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধি পাবে । প্রকল্প এলাকার উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় প্রায় ২ লক্ষ কৃষক সরাসরি সম্পৃক্ত হবে। তন্মধ্যে প্রায় ১.৫ লক্ষ কৃষকের সমন্বয়ে ৪৯৫০টি কৃষক গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

মো. আল মামুন শিকদার-উদ্যোক্তা সভা

শেয়ার করুন: