শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দৌলতপুরে হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সেতু

দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৮ মে ২০২৫, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর বাজারে যেতে এই সেতুই একমাত্র রাস্তা
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর বাজারে যেতে এই সেতুই একমাত্র রাস্তা

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর বাজার হতে ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত সমেতপুর গ্রামের মো. লুৎফর মাস্টারের বাড়ি হতে রামচন্দ্রপুর মোল্লা পাড়া মসজিদ পর্যন্ত প্রায় ২০০ মিটার রাস্তা ২০/২৫ বছর যাবৎ অবহেলিতভাবে পড়ে আছে। এতে সাধারণ জনগণের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল লতিফ বলেন, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় হাজার লোক যাতায়াত করে। সামান্য বৃষ্টি হলেই স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া অনেক কষ্ট হয়ে পড়ে।

আরেক বাসিন্দা মো. কামাল আলী বলেন, বর্ষার পানি আসার আগে রাস্তাটি মেরামত না করা হলে নৌকা ছাড়া আমাদের দৌলতপুর বাজার যাওয়া জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই।

রামচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের উৎপাদিত ফসল সঠিক সময় বাজারে না নেওয়ার কারণে আমরা নায্য মূল্য পাচ্ছি না। আমরা একটি ভ্যানগাড়িতে করে সার কিংবা কীটনাশক কিনে বাড়ি নিতে পারি না। বর্ষার সময় হলে মনে হয় আমরা একটা দ্বীপের মধ্যে বসবাস করছি।

ইউপি সদস্য মো. রিপন মোল্লা বলেন, আমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি রাস্তা ভালো না থাকার কারণে ডাক্তারাও আমাদের দক্ষিণ পাড়ায় আসতে চায় না। আমি চেয়ারম্যানকে কয়েকবার বিষয়টি অবগত করেছি। তিনি শুধু আশ্বাস দিয়েছেন।

ভোরের আকাশ/আজা

শেয়ার করুন: