শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কাউখালীতে টমেটোর বাম্পার ফলন

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

পিরোজপুরের কাউখালীতে টমেটো বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি দেখা যাচ্ছে।বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায় বাঁশের খুঁটি দিয়ে তৈরি মাচানে লতিয়ে আছে সবুজ টমাটো গাছের সমারোহ। সেই সবুজ পাতার ফাঁকে লাল টুকটুকে পাকা টমেটো জানান দিচ্ছে নিজের অবস্থান। 

ঘামে ভেজা শরীরে ক্লান্ত কৃষকের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটছে মাচানে ঝুলতে থাকা থোকা-থোকা টমেটো দেখে। চলতি রমজান মাসে বাজার ভালো, তাই লাভের ঝুলিতেও উঠবে বাড়তি আয়। সেই আশাতেই দিনরাত এক করে ফসলের মাঠে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন কৃষক।

উপজেলার চিড়াপারা ইউনিয়নে মাচানে টমেটো চাষ করা কৃষক রনি হাওলাদার ও মিন্টু চন্দ্র দাস জানান, এ বছর প্রায় ৫০ শতাংশ জমিতে মাচান পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করেছেন তারা। মাচানে চাষ করায় টমেটো পেকে পচার সম্ভাবনাও থাকে কম। বাড়তি পরিচর্যার তেমন প্রয়োজন হয় না এবং ফলনও বৃদ্ধি পায়। 

বর্তমান বাজারে প্রতি মণ টমেটোর মূল্য প্রায় ৭০০ টাকা। এই ৫০ শতাংশ জমি থেকে ইতিমধ্যে প্রায় ৪৫ মন টমেটো বিক্রি করেছেন আরও প্রায় ৫০ মন টমেটো গাছে ধরে আছে। সব মিলিয়ে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার টমেটো বিক্রি করতে পারবে। খরচ বাদ দিয়ে প্রায় এক লক্ষ টাকা লাভ থাকবে । উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন সহায়তা পাওয়ায় তাদের খরচ অনেক কম হয়েছে। তারা বিপুল প্লাস জাতটি চাষ করেছেন।   

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায় ,কৃষকরা দেশীয় জাতের পাশাপাশি হাইব্রিড ও উচ্চ ফলনশীল জাতের মধ্যে বিজলি ১১, সুলতান সলেমান, মিন্টু সুপার, ভিএল, বিপুল প্লাস, মেটাল ইত্যাদি জাত চাষ করেছেন কৃষকরা।

কাউখালী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার হালদার বলেন, এখন প্রায় কৃষকই খুটি বা মাচান পদ্ধতিতে টমেটোর চাষ করে থাকেন। এতে করে পানি সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ সহজ হয়। পোকা মাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পায় বলে ফলন হয় দ্বিগুণ। এ বছর উপজেলায় প্রায় ৪৫ হেক্টর জমিতে টমেটোর চাষ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী তা পূরণও হয়েছে। বাজারে টমেটোর দাম ভালো থাকায় এবার কৃষকরা লাভবান হবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা রানী দাস জানান,আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর কাউখালী উপজেলায় টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে। ভাল দাম থাকায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। এছাড়াও এসএসিপি প্রকল্প থেকে দেওয়া টমেটোর প্রদর্শনীর সফলতার প্রভাবে উপজেলার কৃষকরা টমেটো চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিস কৃষকের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

টমেটো চাষরনি হাওলাদার

শেয়ার করুন: