জ্বালানি পাচার প্রতিরোধে নাইক্ষ্যংছড়িসহ পার্শ্ববর্তী সীমান্তে বিজিবির নজরদারি জোরদার

কক্সবাজার -বান্দরবান মিয়ানমার ঘেষা সীমান্ত সড়ক ও পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ, কালোবাজারি প্রতিরোধ এবং সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচাররোধে বিশেষ নজরদারি জোরদার করেছে ১১, ৬৪ ও ০২ বিজিবি। পাশাপাশি সন্দেহভাজন বাজার ও স্টেশনের গুদাম এবং দোকানে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও পাচার কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় তা প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি, উখিয়া, রামু ও টেকনাফে ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি), উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) তেল পাম্প, বিভিন্ন দোকান, গুদামঘর ও সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালায়।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও পাচার দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। এ ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ, পাচার কিংবা কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
লে. কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেল সংক্রান্ত কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পকে অবহিত করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
বিজিবি ইতোমধ্যে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত থাকলে অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারি এবং মাদক পাচার কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
ভোরের আকাশ/এসএইচ