শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কটিয়াদীতে ভোট দিলেন ৯০ ঊর্ধ্ব নারী

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়ারে আমার ভালো লাগে বাবা। এর লাইগ্গা অসুস্থ শরীর লইয়া নাতির লগে ভোট দিতে আইয়া পড়ছি। জীবনের শেষ সময়ে তার দলের পক্ষে একটা ভোট দিলাম। কতদিন বেঁচে থাকবো আর জানি না, কিন্তু খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী দেখে মরতে চাই।

উপরোক্ত কথাগুলো বলছিলেন ৯০ ঊর্ধ্ব নারী মনোয়ারা বেগম। তিনি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ঝাকালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও একই এলাকার মৃত সুবেদ আলীর স্ত্রী। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন এই বৃদ্ধ নারী।

সরেজমিনে দেখা যায়, নাতির সঙ্গে একটি অটোরিকশা দিয়ে এসেছেন বয়োবৃদ্ধ মনোয়ারা বেগম। এ সময় কেন্দ্রের নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে সহযোগিতা করে ভোট দিতে নিয়ে যায়। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে উচ্ছ্বসিত বয়োবৃদ্ধ এই নারী।

মনোয়ারা বেগমের নাতি সুমন বলেন, ‘সকাল থেকে আমার দাদি ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে যেতে প্রথমে মানা করলেও একপর্যায়ে তার আগ্রহের কাছে নত হতে হয় আমাদের। পরে অটোরিকশা দিয়ে নিয়ে আসছি কেন্দ্রে। আমাদের পরিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনীতির প্রতি আনুগত্য। আমার দাদিও তার পছন্দের দলকে ভোট দিয়েছেন।’

জালালপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা রিজওয়ানুল হক বলেন, ‘ভোটের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই বয়োবৃদ্ধ নারী তার নাতির সহযোগিতায় ভোট দিতে এসেছেন। এটি ভোটের প্রতি তার সচেতনতার প্রকাশ। পছন্দের প্রার্থীকে তিনি নিজের ভোট নিজেই দিয়েছেন।’

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনরিজওয়ানুল হক

শেয়ার করুন: