শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হাতির পিঠে চড়ে বিদায়ী সংবর্ধনা পেলেন অধ্যক্ষ আওরঙ্গজেব স্বপন

হুমায়রা আকতার জাহান, বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৯:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

বগুড়ার সারিয়াকান্দির ছাইহাটা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণ বুধবার বিকেলে পরিণত হয়েছিল এক অনন্য উৎসবে। বিদায়ী অধ্যক্ষ মো. আওরঙ্গজেব স্বপনকে বিদায় জানাতে হাজারো মানুষের সমাগমে কলেজ মাঠে তৈরি হয় ব্যতিক্রমী আবহ। তবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল—শিক্ষার্থীদের প্রিয় এই অধ্যক্ষকে হাতির পিঠে চড়িয়ে দেওয়া বিদায়ী সংবর্ধনা।

৩ দশকের দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের ইতি টানলেন আওরঙ্গজেব স্বপন। বিদায়ী মুহূর্তে তার প্রতি ভালবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। কেউ ফুল হাতে, কেউবা ফলমূল ও উপহার নিয়ে ছুটে আসেন। এমনকি অনেকেই প্রিয় শিক্ষকের জন্য নিজ হাতে রান্না করা খাবার নিয়ে আসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নূর-এ-আজম বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মো. আবুল কালাম আজাদ এবং প্রতিষ্ঠাতা মো. মিল্লাত হোসেন মিঠু। কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আওরঙ্গজেব স্বপন শুধু একজন অধ্যক্ষ ছিলেন না; তিনি ছিলেন এলাকার আলোকবর্তিকা। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি শত শত ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করেছেন, তৈরি করেছেন সুদক্ষ নাগরিক।

অধ্যক্ষ স্বপনের সহধর্মিণী মনিজা বেগম ও ছেলে আদনান সৌরভ বক্তব্য রাখতে গিয়ে অশ্রুসজল হয়ে পড়েন।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অধ্যাপক হাবিবুর রহমান আকন্দ ও মিজানুর রহমান। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মিল্লাত হোসেন মিঠু বলেন,
“একজন শিক্ষককে সম্মান জানাতে আমরা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছি। হাতির পিঠে বিদায় দিয়ে আমরা তার অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। গোটা এলাকাকে তিনি শিক্ষার আলোয় আলোকিত করেছেন।”

বিদায়ী বক্তৃতায় আওরঙ্গজেব স্বপনের কণ্ঠও ছিল ভারী। তিনি বলেন—
“কর্মজীবনে ভাবিনি এত সম্মান পাবো। এই এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আজকের এ আয়োজন আমাকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অনুপ্রাণিত করবে।”

পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে আবেগ আর ভালোবাসার মেলবন্ধন তৈরি হয়। শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে ছিল গর্ব ও আনন্দের ছাপ। শিক্ষককে বিদায় জানানোর এই ব্যতিক্রমী আয়োজন ছাইহাটা ডিগ্রি কলেজে সৃষ্টি করেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

ভোরের আকাশ/জাআ

বগুড়াবিদায়ী সংবর্ধনা

শেয়ার করুন: