শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কেরানীহাট মহাসড়কে অকেজো গাড়ির বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৫:৩৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র সাতকানিয়ার কেরানীহাট ছুঁয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ও কেরানীহাট–বান্দরবান মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো গাড়ি ছুটে চলে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কের উভয় পাশে অকেজো ট্রাক ও ডাম্পার ফেলে রাখায় সৃষ্টি হচ্ছিল যানজট, বাড়ছিল দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ভোগান্তিতে পড়ছিল সাধারণ মানুষ।

অবশেষে সরাসরি মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মহাসড়কের বিভিন্ন স্পটে ফেলে রাখা অকেজো গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান চালায় সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে গাড়ির সামনে একের পর এক নোটিশ টাঙানো হয়। নোটিশে উল্লেখ থাকে—আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গাড়ি সরাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গাড়ি না সরালে তা ক্রোক করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া কেরানীহাট বাজারের ব্যবসায়ী মো: শাহেদ বলেন, “প্রতিদিনই এখানে যানজট লেগে থাকে। দোকানে মাল আনতে–নিতেও ভোগান্তি পোহাতে হয়। অবশেষে প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা স্বস্তি পেলাম।”

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, “রাস্তার ধারে এসব ভাঙা গাড়ি থাকায় আমাদের বাচ্চাদের স্কুলে আনা–নেওয়া করতে অনেক কষ্ট হতো। দুর্ঘটনার ভয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হতো। প্রশাসনের পদক্ষেপে আশা করছি এখন সড়কটা নিরাপদ হবে।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সময়সীমা শেষে যেন কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিয়ে মহাসড়ককে পুরোপুরি দখলমুক্ত রাখা হয়।

ভোরের আকাশ/জাআ

সাতকানিয়াপ্রশাসনের অভিযান

শেয়ার করুন: