শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কোরবানির ঈদ ঘিরে গাইবান্ধায় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ‘লালবাবু’

রিফাতুন্নবী রিফাত, গাইবান্ধা

প্রকাশ : ৯ মে ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে উত্তরাঞ্চলের জনপদ গাইবান্ধায় ব্যাপক আলোচনায় এসেছে বিশাল আকৃতির এক ষাড় 'লালবাবু’।

বিশাল দেহ, শান্ত স্বভাব আর আকর্ষণীয় গড়নের কারণে ইতোমধ্যেই জেলার মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে শাহীওয়াল জাতের এই ষাড়টি।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালী এলাকার খামারি কিশোর বাবুর খামারে বেড়ে ওঠা লালচে রঙের এই ষাড়টির দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ৬ ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি এবং ওজন প্রায় ২৩ মণ। বয়স সাড়ে তিন বছর। ছোটবেলা থেকেই দীর্ঘ সময় ধরে যত্ন, পরিচর্যা ও প্রাকৃতিক খাবারের মাধ্যমে বড় করা হয়েছে তাকে।

জেলা প্রাণিসম্পদ সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাইবান্ধা জেলায় প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৩৭ হাজার। চাহিদা পূরণ শেষে অতিরিক্ত পশু দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

জানা যায়, লালবাবুর খাদ্য তালিকায় রয়েছে সবুজ ঘাস, ভূষি, খৈল, ভুট্টা ও খড়। পাশাপাশি প্রতিদিন তাকে খাওয়ানো হয় বাঙ্গি, মাল্টা ও কলা। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ বা মোটাতাজাকরণ ইনজেকশন ব্যবহার ছাড়াই স্বাভাবিক উপায়ে গরুটি লালন-পালন করা হয়েছে বলে দাবি তার।

খামারি কিশোর বাবু বলেন, 'লালবাবুর পেছনে অনেক শ্রম ও খরচ হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় আট লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। কিন্তু যারা দেখতে আসছেন তারা আশানুরূপ দাম বলছেন না। তাই ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।'

এ জেলার সবচেয়ে বড় গরু হিসেবে পরিচিতি পাওয়া লালবাবুকে দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন খামারে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এলাকাবাসীর কাছেও লালবাবু এখন এক বিশেষ আকর্ষণের নাম।

স্থানীয় যুবক আকাশ মিয়া বলেন, এত বড় ও সুন্দর গরু এলাকায় খুব কমই দেখা যায়। তাই কোরবানির ঈদকে ঘিরে লালবাবুকে দেখতে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে দিন দিন।

এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রাজ্জাক ভোরের আকাশকে বলেন, খামারিদের সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ ও প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণে আমরা সবসময় উদ্বুদ্ধ করছি।

আরও পড়ুন

বাকৃবিতে গবেষণা অগ্রগতি বিষয়ক বার্ষিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কোরবানির পশুর বাজার জমে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই বাজারে গাইবান্ধার ‘লালবাবু’ এখন আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। 

এখন দেখার বিষয়, কয়েক বছরের শ্রম, যত্ন আর ভালোবাসায় বড় করে তোলা এই বিশাল ষাড়টির জন্য খামারি কিশোর বাবু শেষ পর্যন্ত তার প্রত্যাশিত দাম পান কিনা।

ভোরের আকাশ/ র.ই

কোরবানির পশুকিশোর বাবু

শেয়ার করুন: