শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রী

বিদ্যালয়ে শ্রেণী কক্ষের সংকট, বারান্দার মেঝেতে চলছে পাঠদান

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার চন্ডিপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালে। এর পর কেটে গেছে সাড়ে তিন দশক। 

কিন্তু বিদ্যালয়টি আজ পায়নি পর্যাপ্ত অবকাঠামো। ২০০৬ সালে নির্মানাধীন ভবনটির তিনটি কক্ষে চলছে প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণীর কার্যক্রম। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষটি এখন শ্রেণী কক্ষ। একদিকে দাপ্তরিক কাজ চলছে, অন্যদিকে চলছে শিশুদের পাঠদান। এতে কোন পক্ষই কাজে মনযোগ দিতে পারছে না। 

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১২৩ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক আছেন ৬ জন। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ব্যহ্নত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। বারান্দায় বসে ক্লাস করা ছোট ছোট শিশুদের জন্য দাড়িয়েছে চরম ভোগান্তি।

তবে উপজেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে জানাগেছে, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মান ও সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে চিঠি পাওয়া গেছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তালিকা চেয়েছে। তালিকায় প্রথমে চন্ডিপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নাম উল্লেখ থাকবে।

গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার চন্ডিপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

চন্ডিপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হামিদা খাতুন ভোরের আকাশকে বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টিতে মাত্র তিনটি শ্রেণীকক্ষ। শ্রেণী কক্ষের অভাবে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের অফিস কক্ষে পাঠদান করাতে হচ্ছে। ফলে পাঠদানে ছাত্র-ছাত্রীরা অমনোযোগি থাকে। ক্লাসে শিক্ষকরাও বসে থাকে অবার শিক্ষার্থীরাও বসে থাকে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ভোগান্তি হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের আরেক সহকারি শিক্ষিকা ফাতেমা খাতুন ভোরের আকাশকে বলেন, শ্রেণী কক্ষের সংকটের জন্য শিশুদের বারান্দায় ক্লাস করাতে হচ্ছে। শিশু শিক্ষার্থীরা বারান্দার মেঝেতে বসে ক্লাস করছে। এতে কষ্ট হচ্ছে তাদের। তাই সরকার যদি বিদ্যালয়ে একটি ভবনের ব্যবস্থা করে দিতেন তাহলে চলনবিন অধ্যুষিত এই অঞ্চলের শিশুরা ভালো ভাবে ক্লাসে পড়া-লেখা করতে পারতো। এবং পড়াশোনার মান আরো উন্নত হতো।

চন্ডিপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু বককার মিয়া ভোরের আকাশকে বলেন,  ১৯৮৯ সালে উল্লাপাড়া উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নে চন্ডিপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

২০০৬ সালে বিদ্যালয়ে পাকা ভবন নির্মান করা হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ১২৩ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। ৬ জন শিক্ষকের মধ্যে একজন চিকিৎসার জন্য ভারতে রয়েছে। একজন ডেপুটেশনে পার্শ্ববর্তী একটি বিদ্যালয়ে আছেন। চারজন শিক্ষক ক্লাস নিচ্ছেন। বিদ্যালয়টি শ্রেণী কক্ষের সংকট থাকায় ক্লাস নিতে হয় অফিস কক্ষে। 

এছাড়া শ্রেণী কক্ষের অভাবে বারান্দায় করানো হচ্ছে শিশুদের পাঠদান। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় দুজনের বেঞ্চে বসতে হচ্ছে চারজন শিক্ষার্থীকে। শব্দের কারণে তারা পড়া লেখায় মনোযোগ দিতে পারছেন না। যে কারণে প্রতিনিয়ত পাঠ্য কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে নিয়মিত পাঠ্যদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী ও আগ্রহী করে তুলতে খেলার মাঠ ও বিনোদনের ব্যবস্থা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভোরের আকাশকে জানান, নতুন ভবন নির্মান ও সংস্কারের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গত সপ্তাহে তালিকা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। 

চন্ডিপুর পারএলংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম তালিকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বলা হয়েছে আবেদন করতে। বরাদ্দ পাওয়ার সাথে সাথে আমরা কাজ শুরু করতে পারবো।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 


 


 

মোঃ মাসুদ রানা 

সিরাজগঞ্জ 

পাঠদানমো. আবু বককার মিয়া

শেয়ার করুন: