শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাফল্যে এগিয়ে, অবকাঠামোয় পিছিয়ে,নওগাঁর দারুল দাখিল মাদ্রাসা

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সাফল্যে এগিয়ে, অবকাঠামোয় পিছিয়ে,নওগাঁর দারুল দাখিল মাদ্রাসা
সাফল্যে এগিয়ে, অবকাঠামোয় পিছিয়ে,নওগাঁর দারুল দাখিল মাদ্রাসা

নওগাঁর নিয়ামতপুরে শিক্ষার মান ও ফলাফলে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেও বছরের পর বছর ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে একটি মাদ্রাসা।

মাটি ও টিনের তৈরি জরাজীর্ণ ঘরেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। বৃষ্টির সময় টিনের ফুটো দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। ফলে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অবাধে বিচরণ করছে গরু-ছাগল।

এমন চিত্র দেখা গেছে নিয়ামতপুরের দারুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসায়। দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসাটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীরের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার এই সময়ে এমন জরাজীর্ণ পরিবেশে পাঠদান নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

তবে অবকাঠামোগত দুরবস্থার মধ্যেও শিক্ষার মান ও ফলাফলে পিছিয়ে নেই প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত চার বছর ধরে নিয়ামতপুর উপজেলার মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি সেরা তিনের মধ্যে অবস্থান ধরে রেখেছে। চলতি বছরও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, ভালো ফলাফলের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে প্রয়োজন সুন্দর, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের জরাজীর্ণ অবস্থা, বৃষ্টির পানি পড়া এবং সীমানা প্রাচীর না থাকায় প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের।

অভিভাবকরাও দ্রুত মাদ্রাসাটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ভালো ফলাফল করা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পেলে শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল করতে পারবে।

মাদ্রাসার সুপার, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে মাদ্রাসাটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন করবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

এ বিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফ হোসেন বলেন, “সরকারের কাছে মাদ্রাসাটির নতুন একাডেমিক ভবনের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

ভোরের আকাশ/ এনউব

শেয়ার করুন: