শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নবাবগঞ্জে হত্যাকান্ডের আসামি গ্রেপ্তর

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে উপজেলার মালদহ গ্রামের লালু মিয়ার ছেলে মফিদুল ইসলাম (৪০) নামে ৪ দিন নিখোঁজের পর মরদেহ একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকি থেকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে মফিদুল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর তার নিখোঁজের ঘটনায় তার ছোট ভাই লিটন মিয়া নবাবগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর-২৬৬।

আরও পড়ুন

রাবিপ্রবিতে যৌন হয়রানি ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সেমিনার

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যামামলার আসামি তার প্রতিবেশী বেলাল উদ্দিনের পুত্র মো. মাসুদ মিয়া (২৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন মাসুদ। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। নিখোঁজ মফিদুলের সন্ধানে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তাসহ বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে নবাবগঞ্জ থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। পুলিশের ভাষ্য মতে মফিদুল ইসলাম মাসুদের স্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুদ হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে মফিদুলের মাথায় আঘাত করেন।

পরে মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার জন্য গলা চেপে শ্বাসরোধ করে বলে জানা গেছে। পরে মফিদুলের মরদেহ পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকিতে রেখে স্লাব দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ মিয়া আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মাসুদের স্ত্রী প্রায় ছয় মাস আগে ছেড়ে যায় ফলে হতাশায় জীবনযাপন করেছিল। নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন: