শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পাথরঘাটায় কোটি টাকার প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৫, ১:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাথরঘাটায় কোটি টাকার প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ
পাথরঘাটায় কোটি টাকার প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ

বরগুনার পাথরঘাটায় কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও মাঠপর্যায়ে এর বেশিরভাগ কাজের কোনো অস্তিত্ব নেই। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় ১৫০টি প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৪ কোটি ২১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা। কিন্তু সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, দৃশ্যমান কাজ হয়েছে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার মতো।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি প্রকল্প শুরুর আগে সাইনবোর্ড স্থাপন বাধ্যতামূলক হলেও কোথাও তা পাওয়া যায়নি। অনেক রাস্তা ও অবকাঠামোর জন্য বড় অঙ্কের বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাস্তবে কাজ হয়নি। বরং কিছু জায়গায় অল্প কিছু উপকরণ ফেলে প্রকল্প সম্পন্ন দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হয়েছে।

সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তায় মাটি ভরাট, সংস্কার ও চাল-গম সরবরাহের জন্য একাধিক প্রকল্পে লাখ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও সেগুলোর অধিকাংশই বাস্তবে অকার্যকর রয়ে গেছে। কিছু ক্ষেত্রে একই রাস্তায় একাধিকবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া কিছু প্রকল্পেও অল্প কাজ করে পুরো বরাদ্দের টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের একজন প্যানেল চেয়ারম্যানের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে একসঙ্গে ৯টি প্রকল্পের সভাপতির দায়িত্ব দেখানো হয়েছে এবং এসব প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রশাসনিক তদারকির অভাবে এসব অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও এখন তা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এ বিষয়ে স্পষ্ট জবাব দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাজ না হলে বরাদ্দের টাকা ফেরত আনা হবে।

স্থানীয়দের দাবি, উন্নয়নের নামে সরকারি অর্থ লুটপাট বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের দুর্নীতি অব্যাহত থাকবে এবং প্রকল্পের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে না।

এদিকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী মো. ফারুক এই ঘটনাকে নজিরবিহীন দুর্নীতি দাবি করে সঠিক তদারকি ও আইনগত ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পবরগুনাটাকালুটপাট

শেয়ার করুন: