প্রধানমন্ত্রীর আগমনে পূজার উৎসবে বাড়বে আনন্দ-উচ্ছ্বাস: শামীম

শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর। প্রধানমন্ত্রীর আগমন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়ানোর পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থানের বার্তাকে আরও জোরালো করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজাকে ঘিরে নগরীতে যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই সতর্ক রয়েছেন। উৎসবের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং পূজা উদ্যাপন কমিটিগুলো সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব দলীয়ভাবে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল। সেই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তাঁর প্রত্যাশা, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন কোনো ধরনের উদ্বেগ ছাড়াই উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত আনন্দ ও স্বস্তির সঙ্গে উদ্যাপন করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, পূজার আনন্দ শুধু একটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পুরো চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যের বন্ধন অটুট রাখাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।
বিএনপির নেতাকর্মীরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে রয়েছেন উল্লেখ করে শামীম বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের নিরাপদে উৎসব উদ্যাপনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিএনপি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও তাঁদের পাশে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরের কর্মসূচি সম্পর্কে মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী সামরিক বিমানে চট্টগ্রামে পৌঁছে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি জেএম সেন হল পূজামণ্ডপে যাবেন। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর তাঁর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে চট্টগ্রামবাসীর জন্য আনন্দের উপলক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী পর্যায় থেকে সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সম্মান ও সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর উপস্থিতি দুর্গোৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানের চেতনাকে শক্তিশালী করবে।
জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান, মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ভোরের আকাশ/ এনউব