শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জনবল সংকটে ধুঁকছে মাধবপুর ভূমি অফিস, ১৮ পদের ১১টিই শূন্য

মো.হাসান ভূঁইয়া,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ভূমি অফিসে জনবল সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি), কানুনগো ও সার্ভেয়ারসহ ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ পদের মধ্যে ১১টিই শূন্য। ফলে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাড়ছে সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি বর্তমানে শূন্য। মো. আনিসুল ইসলাম এ পদে যোগ দেওয়ার মাত্র ২০ দিনের মাথায় বদলি হন। কানুনগো পদটি ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর থেকে শূন্য। আর সার্ভেয়ার শহিদুল ইসলাম প্রায় চার মাস আগে পদোন্নতি পেয়ে কমলগঞ্জে যোগ দেওয়ার পর পদটিও শূন্য হয়।

বর্তমানে বাহুবল ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার জোনায়েদ আহমেদ সপ্তাহে এক দিন মাধবপুরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। চেইনম্যান, জারিকারক, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও নাজির কাম ক্যাশিয়ারসহ আরও কয়েকটি পদও শূন্য রয়েছে।

শুধু উপজেলা ভূমি অফিস নয়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতেও একই চিত্র। মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ছয়টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন দুই কর্মকর্তা ও দুজন এমএলএসএস। কালিকাপুরে ছয় পদের মধ্যে চারটি এবং মাধবপুর সদর ও নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দুটি করে পদ শূন্য রয়েছে। আদাঐরেও কর্মরত আছেন মাত্র একজন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও একজন এমএলএসএস।

মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা মজিবুর রহমান বলেন, ৯৯টি মৌজার দায়িত্বের পাশাপাশি বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধে অভিযান এবং বিভিন্ন মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিতে হয়। জনবল কম থাকায় কর্মরতদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

কালিকাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন, শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠায় ভূমি সংক্রান্ত কাজের চাপ বেড়েছে। জনবল সংকটের কারণে অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হচ্ছে; অনেক সময় ব্যক্তিগত প্রয়োজনেও ছুটি নেওয়া সম্ভব হয় না।

আরও পড়ুন

সংসদ থেকে ওয়াকআউটের পর মুখে কাপড় বেঁধে বের হলেন বিরোধীদলের নেতারা

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে পত্রও দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা না হলে ই-নামজারিসহ ডিজিটাল ভূমিসেবার গতি আরও কমে গিয়ে সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

ভোরের আকাশ/ এনউব

শেয়ার করুন: