শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্রিজ পার হওয়ার পর মনে হয় বড় বিপদ থেকে বেঁচে গেলাম

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৯ জুন ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

পিরোজপুরের নাজিরপুরে একটি ব্রিজের বেহাল দশার কারনে চরম ভোগান্তি আর ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে কয়েক গ্রামের মানুষ।

মঙ্গলবার (৯জুন) সরেজমিনে  উপজেলার দীর্ঘা ইউনিয়নের বেলুয়া নদী তীরবর্তী ঘোষকাঠী ও মনোফল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে,ব্রিজটির লোহার খুটি হেলে পড়ার উপক্রম। উপর অংশের পাটাতনের কিছু কাঠ পঁচে ধসে পড়েছে। উপরের নেই  রেলিং। যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় ব্রিজ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। এছাড়া জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন  ভ্যান ও মটর সাইকেল ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে হাজারো মানুষ। জনসাধারণের চলাচলের মাধ্যম সেই ব্রিজটি 
এখন জনদূর্ভোগে রুপ নিয়েছে। ব্রিজের কঙ্কাল দেখে ভয় পায় স্কুলগামী শিশুরা। ব্রিজ থেকে মাএ ১০০ গজের মধ্যে শতবছরের পুরানো ঘোষকাঠী বাজার।

এই ব্রিজ থেকে নিয়মিত যাতায়েত করে ৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  শিক্ষার্থীরা। ঘোষকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,  মনোরঞ্জন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঘোষকাঠী ডিগ্রী কলেজ সহ  সুধাংশু শেখর হালদার টেকনিক্যান কলেজ। প্রতিদিন শত শত  ছাএ-ছাএী সহ হাজারো লোক চলাচল করে এই ব্রিজ  দিয়ে। যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংখ্যা রয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ পথচারীদের জন্য সেতুটি এখন এক বিপজ্জনক পথ।

মনোফল গ্রামের  শাহ আলম বলেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ব্রিজটির ভগ্নদশা, অনেক আবেদন নিবেদন করেও কোন কাজ হয়নি মনেহয় দেখার কেউ নেই অথচ ব্রিজ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক চলাচল করে ।

ব্রিজ সংলগ্ন রয়েছে  বাজার ও স্কুল, কলেজ।  ছোট ছেলে -মেয়েরা ব্রিজে উঠতেই ভয় পায় ।

ব্রিজ সংলগ্ন বাড়ীর আজাদ শেখ বলেন, স্কুল টাইমে প্রতিদিনই দু- চার জনকে হাত ধরে ব্রিজ পার করে দিতে হয়।ব্রিজ ঠিকই আছে কিন্তু  ব্রিজটি  কঙ্কাল হয়ে দাড়িয়ে আছ শিশুরা উঠতে ভয় পায়। অভিভাবকরা তাদের সন্তানকে স্কুল দিয়ে যায়  এবং  ছুটি হওয়ার আগে  আবার  ব্রিজের গোড়ায় বসে থাকে ছেলে মেয়েদের পার করার জন্য। কিছুদিন পুর্বে শাওন নামের এক ছেলে ব্রিজ থেকে পানিতে পরে যায়। সাথে সাথে আমি তাকে পানি থেকে উপরে উঠাই।

ঘোষকাঠী বাজার কমিটির সভাপতি অপূর্ব হালদার জানান, ব্রিজটির স্লাব ভেঙ্গে যাওয়ায়  কয়েকবার  বাজার কমিটি ও স্হানীয়রা মিলে কাঠের তক্তা দিয়ে সংস্কার করছি  কিন্তু এব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদকে বার বার জানানোর পরেও নূন্যতম কোন ভূমিকা নেইনি।

ইউপি সদস্য পল্টু লাল বেপারী  বলেন, গত দু বছরে বেশ কয়েকবার আবেদন নিবেদন করা হলেও কোন কাজ হয়নি, ইউনিয়ন পরিষদের সাধারন তহবিল দিয়ে এত বড় ব্রিজের তেমন কিছু করাও সম্ভব নয়।

দীর্ঘা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রেজাউল করিম জানান, ব্রিজটির অবস্হা খুবই নাজুক। পরবর্তী বরাদ্ধ আসার সাথে সাথে ব্রিজটির কাজ হবে।

আরও পড়ুন

সীমিত সম্পদের মধ্যেও বাজেটে প্রত্যেক নাগরিককে বিবেচনায় রাখা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

এ বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সালাউদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি, যতো দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যাবস্হা গ্রহন করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, অবিলম্বে ব্রিজটি পুনঃনির্মান না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যা মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি করতে পারে। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশাবাদী।

ভোরের আকাশ/এনউব

ব্রিজ

শেয়ার করুন: