শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রাম কোরবানির পশুরহাট

হাঁটুসমান কাদায় দাঁড়িয়ে ঈদের স্বপ্ন বিক্রি করছেন খামারিরা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামের পশুর হাটে হাঁটুসমান কাদার ভিতরেও বেচাকেনা শুরু হয়েছে -কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামের পশুর হাটে হাঁটুসমান কাদার ভিতরেও বেচাকেনা শুরু হয়েছে -কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

আসন্ন ঈদুল আজহাকে ঘিরে কুড়িগ্রামের পশুর হাটগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে বেচাকেনা। কিন্তু টানা বৃষ্টি আর সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু না আসায় এবার হাটের চিত্র যেন একটু ভিন্ন। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর পশুর হাটে হাঁটুসমান কাদা ও পানির মধ্যেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে খামারি ও বিক্রেতাদের।

শনিবার (২৩ মে) সরেজমিনে হাট ঘুরে দেখা যায়, পুরো হাটজুড়ে জমে আছে কাদা আর পানি। বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে গেছে পশুর হাটের পরিবেশ। কাদার মধ্যে গরু ধরে দাঁড়িয়ে আছেন খামারিরা। কেউ ছাউনি খুঁজছেন, কেউ আবার ভেজা কাপড়ে বসেই অপেক্ষা করছেন একটি ভালো দামের আশায়। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা যেন মিলছেই না। অনেকে গরু দেখে চলে যাচ্ছেন, কেউ দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন। কাদা আর ভেজা পরিবেশের কারণে ক্রেতাদের উপস্থিতিও তুলনামূলক কম।

যাত্রাপুর হাটে তিনটি গরু নিয়ে আসা বিক্রেতা মমিনুল হক বলেন, কাদার কারণে মানুষ ঠিকমতো হাটে আসতেছে না। গরু দেখতেছে, কিন্তু দাম বলে না। যাত্রাপুর দাখিল মাদ্রাসা পাড়ার মোহাব্বত বলেন, বাজার ধীরগতির। মানুষ শুধু ঘুরে দেখতেছে, কেনাবেচা কম।

হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু কম আসায় দেশি গরুর চাহিদা বেড়েছে। সেই সুযোগে বিক্রেতারাও তুলনামূলক বেশি দাম হাঁকছেন। বিশেষ করে মাঝারি ও বড় গরুর দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। চর যাত্রাপুরের খামারি আব্দুল গফুর জানান, আমার একটি গরু দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তিনি বলেন, খরচ অনেক হইছে, তবে দামও ভালো পাইছি।

কুড়িগ্রাম প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা খান বলেন, এবার জেলায় কোরবানির জন্য দেশি গরুর সরবরাহ ভালো রয়েছে। ভারতীয় গরু কম আসায় স্থানীয় খামারিরা লাভবান হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

তিনি জানান, জেলায় এবার কোরবানির জন্য ১ লাখ ২০ হাজার গরু-মহিষ এবং ১ লাখ ৮০ হাজার ছাগল-ভেড়া প্রস্তুত রয়েছে। এর বিপরীতে চাহিদা রয়েছে প্রায় ৯০ হাজার গরু ও ১ লাখ ২০ হাজার ছাগল-ভেড়ার। হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসক দলও কাজ করছে।

হাট ইজারাদারের প্রতিনিধি মো. রহিম উদ্দিন হায়দার রিপন বলেন, হাটের বেশিরভাগ জায়গা ব্যক্তি মালিকানাধীন হওয়ায় স্থায়ী অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে না। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কাদা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু জায়গায় বালু ফেলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

কিয়েভে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া

তিনি আরও জানান, প্রতি গরুর জন্য ক্রেতার কাছ থেকে ৫০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা করে হাসিল নেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের কারণেই বিক্রেতাদের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, যাত্রাপুর পশুহাটের পানি নিষ্কাশনের জন্য ইতোমধ্যে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী হাটের আগেই পানি সরানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্থানে বালু ফেলা হবে বলে জানান তিনি।

ভোরের আকাশ/ইউএম

কুড়িগ্রাম

শেয়ার করুন: