শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গায় পারদ চড়েছে ৪২ ডিগ্রিতে বিপাকে শ্রমজীবী মানুষ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৫, ১:৪৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
চুয়াডাঙ্গায় পারদ চড়েছে ৪২ ডিগ্রিতে বিপাকে শ্রমজীবী মানুষ
চুয়াডাঙ্গায় পারদ চড়েছে ৪২ ডিগ্রিতে বিপাকে শ্রমজীবী মানুষ

চলতি মৌসুমে তীব্র দাবদাহে চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রার পারদ উঠলো ৪২ ডিগ্রিতে। গত দুদিন ধরে চুয়াডাঙ্গা জেলায় তীব্র গরম ও কাঠফাটা রোদের তাপের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন শ্রমিক, দিনমজুর, ভ্যান ও রিকশাচালকরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তা-ঘাটে লোকজনের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। তীব্র গরম ও কাঠফাটা রোদে সড়কের পিচ গলে যাচ্ছে। হাসপাতালে বাড়ছে ডায়রিয়া সহ গরম জনিত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা।

শনিবার (১০ মে) বিকেল ৩ টার সময় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১৬ শতাংশ। এর আগে শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায় এবং বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। 

তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের জেষ্ঠ কর্মকর্তা জামিনুর রহমান।

চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের রিকশাচালক হামিদুর রহমান জানান, আজ তিন দিন যাবৎ গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। তীব্র রোদে রিকশা চালাতে গিয়ে হাঁফিয়ে উঠছি। কিছুক্ষণ পরপর বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।

শহরের মুদি ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ বলেন, ফ্যানের বাতাস যেন গায়ে লাগছে না। দিনে কাঠ ফটা বোদ আর রাতে ভ্যাপসা গরমে কাহিল হয়ে পড়ছে জীবন।

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক জামিনুর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আগামী কয়েকদিন চুয়াডাঙ্গায় এমন খরতাপ অব্যাহত থাকতে পারে। এজন্য জনসাধারণকে দুপুরের সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  

ভোরের আকাশ/এসআই

শেয়ার করুন: