মহিউদ্দিনের সমর্থকদের ক্ষোভ
মুন্সিগঞ্জ-৩ ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়ে সরাসরি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনের প্রার্থী হিসেবে কামরুজ্জামান রতনের নাম ঘোষণা করা হলে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ হতাশা প্রকাশ করেছেন।
রোববার বেলা ১১ টায় সংবাদ সম্মেলনে শহর বিএনপি সদস্য সচিব এড. মাহবুব আলম স্বপন ছাড়াও সদর ও গজারিয়া থানার ৭০ জন ইউনিট প্রধান স্বাক্ষরিত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির বরাবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ভোটার ও ত্যাগী নেতাদের মতামত উপেক্ষা করে মনোনয়ন প্রদানের ফলে স্থানীয় স্তরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে মো. মহিউদ্দিন নেতা হিসেবে জনগণের পাশে ছিলেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা ও গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভা শাখার নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে মো. মহিউদ্দিনকে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রদানের জন্য যৌথভাবে অনুরোধপত্র প্রেরণ করেছেন। তাঁরা দাবি করছেন, স্থানীয় জনগণ এবং ত্যাগী নেতাদের স্বীকৃতি বিবেচনা করে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করা হোক।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে মো. মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও পরিবারের জীবনযাত্রার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূলের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় তিনি পিছিয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়ে এই বিতর্ক নির্বাচনী প্রচারণা ও ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শহর ও উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রধান স্বাক্ষরকারীগণরা হলেন- শহর বিএনপি সদস্য সচিব এড. মাহবুব আলম স্বপন, পৌর বিএনপি আহবায়ক এ কে এম এরাদত মানু, মিরকাদিম পৌর বিএনপি সভাপতি জসিম উদ্দিন আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক ওরয়দুর রহমান, গজারিয়া বিএনপি আহবায়ক ছৈয়দ ছিদ্দিকুল্লাহ ফরিদ, সদস্য সচিব আব্দুর রহমান সফীক, সদর বিএনপি সদস্য সচিব সাইদুর রহমান ফকির, সদস্য মাহবুবুর রহমান খান, গোলজার হোসেন, আতোয়ার হোসেন বাবুল প্রমুখ।
উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আতোয়ার হোসেন বাবুল ও একেএম ইরাদত মানু ।
ভোরের আকাশ/জাআ