শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পাথরঘাটায় ঝুঁকিপূর্ণ ৩৯ সেতু, দুর্ভোগে কয়েক লাখ মানুষ

ইসা হাসান, পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৯:১৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ৩৯টি সেতুর ওপর নির্ভর করেই প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ চলাচল করছে। এসব সেতুর বেশ কয়েকটি ভেঙে খালে পড়ে আছে, কোথাও আবার লোহার কাঠামো মরিচায় ক্ষয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। হালকা যানবাহন উঠলেই সেতু কেঁপে ওঠে, ফলে যাত্রী ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

উপজেলা জুড়ে ছোট-বড় শতাধিক সেতুর মধ্যে ৩৯টি এখন পুরোপুরি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৯৭ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে নির্মিত এসব সেতুর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৩৫৮ মিটার। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুগুলো একে একে অচল হয়ে পড়ছে। কোথাও ভাঙা সেতুর জায়গায় স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে অস্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা করেছেন। তবে এসব সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কৃষি অঞ্চলের মানুষরা উৎপাদিত আলুসহ নানা ফসল বাজারে নিতে গিয়ে লোকসানের মুখে পড়ছেন। রোগী পরিবহনে পড়তে হচ্ছে ভয়াবহ সমস্যায়, আবার শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও ভাঙা কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ সেতু সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। অনেকের আশঙ্কা, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এলজিইডি সূত্র জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলোর তালিকা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বাজেট বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সেতুতেই সতর্কবার্তা টাঙানো হয়নি। ফলে মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পারাপার করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ভোরের আকাশ/জাআ

পাথরঘাটাঝুঁকিপূর্ণ

শেয়ার করুন: