দৌলতপুরে আলোচিত পীর শামিম হত্যা মামলা প্রধান আসামীর জামিন না মঞ্জুর

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নিজ দরবার শরিফে হামলা চালিয়ে পীর আবদুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা মামলায় কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের রোকন খাজা আহম্মেদের জামিন না মঞ্জুর করেছে আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা ১২টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো: এনায়েত কবির সরকার এই খাজা আহম্মেদের জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতে থেকে ছাত্রশিবিরের এই সাবেক নেতা ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের রোকন খাজা আহম্মেদকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় সে চিৎকার করে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করতে থাকে।
এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, বিএনপির নেতারা এর সাথে জড়িত সেটা আমরা লক্ষ করেছি। বিএনপির এসব নেতারা আমাদের বিতারিত করতে পারবে না। এলাকার সকল মানুষ আমার সাথে আছে। সকলে সাথে থেকে আগামী ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে নির্বাচিত করতে ভূমিকা পালন করবে।
খাজা আহাম্মেদের আইনজীবি মো. মাহফুজুর রহমান জানান, হাইকোর্ট উক্ত মামলায় ৬ সপ্তাহের মধ্যে নিন্ম আদালতে আত্মসমর্পনের নির্দেশে সে আজ হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ খাজা আহম্মেদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরন করে।
উল্লেখ্য , চলতি বছরের ১১ এপ্রিল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় দক্ষিন ফিলিপনগর গ্রামে নিজ বাড়ির আখড়ায় পীর শামিম হত্যা মামলায় কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের রোকন খাজা আহম্মেদসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়।
মামলায় নাম থাকা অন্য তিন আসামি হলেন স্থানীয় জামায়াত কর্মী রাজিব মিস্ত্রি, খেলাফত মজলিসের দৌলতপুর উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ (৪৫) ও আবেদের ঘাট এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক সাফি।
ভোরের আকাশ/ র.ই