শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে পর্যটক হয়রানির দায়ে ১৭ ক্যামেরা জব্দ

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশ : ৬ এপ্রিল ২০২৫, ২:৫১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কক্সবাজারে পর্যটক হয়রানির দায়ে ১৭ ক্যামেরা জব্দ
কক্সবাজারে পর্যটক হয়রানির দায়ে ১৭ ক্যামেরা জব্দ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের হয়রানি রোধে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সৈকতের ফটোগ্রাফার বা ক্যামেরাম্যানদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও জোরপূর্বক ছবি চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে হয়রানির সাথে জড়িত ১৭ জন ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরা জব্দ করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

পর্যটকদের অভিযোগ, অনেক ক্যামেরাম্যান ১০টি ছবি তোলার কথা বলে একই পোজ ও একই ছবি ১০-২০ কপি করে প্রায় ১০০-২০০ কপি করে ছবি ধারণ করে। পরে প্রতিটির জন্য ৫ টাকা করে আদায় করে। এছাড়াও অযথা ছবি তুলে তা নিতে বাধ্য করা হয়। রাজি না হলে পর্যটকদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। এমনকি ছবি নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে।

ঘুরতে আসা এক মহিলা পর্যটক অভিযোগ করেন যে, ২০-৩০টি ছবি তোলার নামে ৬০০টি ছবি তুলে ক্যামেরাম্যান দ্বারা হয়রানির শিকার হয়েছেন। গত কয়েকদিনে পর্যটকদের কাছ থেকে এমন একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ কঠোর অবস্থানে যায়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ জানান, পর্যটকদের হয়রানি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যেসব ক্যামেরাম্যান পর্যটকদের হয়রানি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৭ জন ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরা জব্দ করা হয়েছে এবং তাদের পরিচয়পত্র (কার্ড) বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যারা প্রকৃত ক্যামেরাম্যান নন এবং যাদের বৈধ কার্ড নেই, তাদের সৈকতে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।

ট্যুরিস্ট পুলিশের এই পদক্ষেপ পর্যটকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। তারা আশা করছেন, এই অভিযানের ফলে সৈকতে হয়রানির মাত্রা কমবে এবং পর্যটকেরা নির্বিঘ্নে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: