শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পর্যটন সংকটে নীলসাগর, সম্ভাবনা জাগাচ্ছে উন্নয়ন কাজ

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ মে ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

এক সময়ের বিন্নাদিঘি—আজকের নীলসাগর। ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই বিশাল দীঘি এখনো পর্যটন সম্ভাবনার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে বছরের অধিকাংশ সময়ই থাকে অনেকটা নিস্তব্ধ।

জেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত নীলসাগরের আয়তন প্রায় ৫৩ দশমিক ৯০ একর। এর মধ্যে প্রায় ৩৩ একর জুড়ে রয়েছে জলরাশি, যার গভীরতা ৩০ থেকে ৩২ ফুট। বাকি অংশজুড়ে রয়েছে সবুজ গাছপালা ও পাড়ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশ, যা সহজেই দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করতে পারে।
ঐতিহাসিক সূত্র মতে, খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম-নবম শতাব্দীর দিকে এই দীঘি খনন করা হয়। প্রচলিত কাহিনিতে বলা হয়, পান্ডবদের বনবাসকালে পানির চাহিদা পূরণে রাজা বিরাট এটি খনন করেন। সময়ের বিবর্তনে এর নাম পরিবর্তিত হয়ে বিরাট দীঘি, বিল্টা দীঘি হয়ে শেষ পর্যন্ত বিন্নাদিঘি নামে পরিচিতি পায়। পরে ১৯৭৯ সালে সংস্কারের পর নীলফামারী জেলার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ‘নীলসাগর’।

দীঘিটি পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষিত হলেও পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব স্পষ্ট। বিশেষ করে পর্যটকদের জন্য মৌলিক সুবিধার ঘাটতি এখানে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যাপ্ত শৌচাগার নেই, বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল অপ্রতুল, নেই মানসম্মত খাবারের ব্যবস্থা। ফলে দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের পড়তে হয় নানা ভোগান্তিতে।
পর্যটকদের মতে, এত বড় একটি পর্যটনকেন্দ্রে শিশুদের জন্য কোনো বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকাও বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা। অন্যদিকে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও হতাশ। পর্যাপ্ত পর্যটক না থাকায় তাদের আয়-রোজগারও কমে গেছে। তারা মনে করেন, চিড়িয়াখানা, থিম পার্ক বা অন্যান্য আকর্ষণীয় বিনোদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে সারা বছরই পর্যটকের আনাগোনা বাড়বে।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর আগামী জুনে

তবে আশার কথা, নীলসাগরকে ঘিরে ইতোমধ্যে কিছু উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলমান কাজগুলো শেষ হলে এখানে পর্যটকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং বিস্তৃত জলরাশির সমন্বয়ে নীলসাগর হতে পারে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র। এজন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত উন্নয়ন, পর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং দর্শনার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ ও সঠিক বাস্তবায়নই পারে নীলসাগরকে আবার প্রাণবন্ত করে তুলতে—এমন প্রত্যাশাই স্থানীয়দের।

ভোরের আকাশ/এনউব

পর্যটন সংকটে নীলসাগর

শেয়ার করুন: