শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমায় ১০ বছর ধরে চলছে ‘কাপড় ধোঁয়ার কাজ’

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমায় ১০ বছর ধরে চলছে ‘কাপড় ধোঁয়ার কাজ’
বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমায় ১০ বছর ধরে চলছে ‘কাপড় ধোঁয়ার কাজ’

কক্সবাজারের রামুর প্রত্যন্ত গ্রামে সন্ধান মিলেছে বোমা সদৃশ বস্তুর। তবে এই বস্তুর ওপর গেলো ১০ বছর যাবৎ চলে কাপড় ধোঁয়ার কাজ। নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে এটা না জেনেই দীর্ঘদিন ধরে পুকুর ঘাটের সিড়ি হিসাবে ব্যবহার করছিল এলাকাবাসী।

পুলিশ বলছে, রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের লট উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী এলাকায় বোমাটি পাওয়া যায়। মূলত এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, রামুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বড় বোমা পাওয়া গেছে। মূলত বোমাটি একটি পুকুরে ছিল। যা ১০ বছর আগে স্থানীয় কেউ পুকুর থেকে তুলে পাড়ে রেখেছিল। এই বোমাটিতে গেলো ১০ বছর ধরে স্থানীয়রা কাপড় ধোঁয়ার কাজও করেছে।

মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া আরো বলেন, স্থানীয় এক সচেতন নাগরিক বোমার বিষয়টি পুলিশকে জানালে শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। এরপর বোমাটি নিরাপদ স্থানে রেখে চারপাশে সংরক্ষিত করার পাশাপাশি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পরে বিষয়টি সেনাবাহিনীকে অবহিত করা হয়। সেনাবাহিনীও ঘটনাস্থলে যায় এবং বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে রামুর ইতিহাস গবেষক আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বোমা সদৃশ বস্তুটির দুটি ছবি শেয়ার করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই বস্তুটিকে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা বলে দাবী করেছেন স্থানীয়রা। এলাকা বাসীর তথ্যানুযায়ী বোমাটার উপর নাকি অনেকদিন যাবত মানুষ কাপড়কাচার কাজ করত। এটাতে এক্সপ্লোসিভ আছে কিনা পরীক্ষা করা দরকার। না থাকলে সংরক্ষণ করা উচিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে। এটাও তো রামুর ইতিহাসের অংশ।’

ইতিহাস গবেষক আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া জানিয়েছেন- বোমা সদৃশ বস্তুটির বিষয় তিনি অনেক আগেই জেনেছিলেন। নিজের আগ্রহ থেকে বৃহষ্পতিবার তিনি এবং শিক্ষক সুমথ বড়ুয়া সেটি দেখতে গিয়েছিলেন। তাঁর ধারনা হয়তো এটি জাপানের তৈরী এবং বর্তমানে এটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের মতো তিনিও এটি দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা বলে ধারনা করেছেন। বস্তুটির আকার প্রস্ত গাসের সিলিন্ডারের মতো এবং দৈর্ঘ্য আরও বেশী।

এদিকে বোমা সদৃশ বস্তুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে, সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী জানতই না এটি যে বোমা।তাই দীর্ঘদিন এর উপর কাপড় কাঁচাসহ পুকুরের ঘাট হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

কক্সবাজারবোমা

শেয়ার করুন: