শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সরিষাবাড়ীতে ঝিনাই ফিলিং স্টেশনে অভিনব টোকেন বাণিজ্য

​সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী ঝিনাই ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রিতে এক অভিনব ও বিতর্কিত কারসাজির অভিযোগ উঠেছে। পৌরসভার বাউসী এলাকায় অবস্থিত 'পপুলার ঝিনাই ফিলিং স্টেশন'-এ দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষারত সাধারণ মানুষকে পাশ কাটিয়ে এক সরকারি চিকিৎসকের ভিজিটিং কার্ডকে 'টোকেন' হিসেবে ব্যবহার করে তেল বিক্রির ঘটনা ঘটেছে।

​শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সারাদিন ব্যাপি ফিলিং স্টেশনটিতে এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় তেল বিক্রি করতে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেহেদী হাসান ফিরোজ-এর ভিজিটিং কার্ডকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এক বিশাল সিন্ডিকেট।স্থানীয় একদল অসাধু চক্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বিনিময়ে এই ভিজিটিং কার্ডগুলো কৃষিজীবী ও বাইকারদের কাছে বিক্রি করছে।

পাম্পে দীর্ঘ লাইন থাকলেও, যার কাছে এই 'জাদুকরী' কার্ড থাকছে, তিনি কোনো অপেক্ষা ছাড়াই দ্রুত ডিজেল বা পেট্রোল সংগ্রহ করতে পারছেন। সাধারণ গ্রাহকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল না পেলেও, বাড়তি টাকার বিনিময়ে কার্ড সংগ্রহকারীদের প্রাধান্য দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
​ জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেহেদী হাসান ফিরোজ বলেন, "আমার ভিজিটিং কার্ড নিয়ে কে বা কারা কী করছে, তা আমার জানার বিষয় নয়। আমি কোনো কার্ড বিক্রি করিনি।"

​অন্যদিকে, ঝিনাই ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ দায় এড়ানোর চেষ্টা করে জানান, তারা কোনো টোকেন বা কার্ড বাণিজ্যের সাথে জড়িত নন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, পাম্প কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ যোগসাজশ ছাড়া এমন বাণিজ্য সম্ভব নয়। এর আগেও বিভিন্ন অনিয়ম ও কারসাজির দায়ে এই ফিলিং স্টেশনটিকে একাধিকবার জরিমানা করেছিল ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যে কারা আছে তা দ্রুত তদন্ত করা হোক। সরকারি চিকিৎসকের কার্ড কেন এবং কীভাবে এখানে ব্যবহার হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হোক। এছাড়াও সাধারণ মানুষকে হয়রানি বন্ধে পাম্পের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) লিজা রিছিল বলেন, অভিযুক্ত বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। যদি কেউ জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ফায়দা লুটলের চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোরের আকাশা/এনউব

টোকেন বাণিজ্য

শেয়ার করুন: