শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নেছারাবাদে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রাতুলের বাড়িতে প্রেমিকা সোনিয়া আক্তার মিম (১৭) নামের এক তরুণী অনশন করছেন। অনশনের খবরে বসতঘরে তালা মেরে পালিয়েছেন প্রেমিক সহ তার পরিবার।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব-কামারকাঠী ৩নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। প্রেমিকা সোনিয়া আক্তার মিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফার্দাবাদ গ্রামের মৃত জালাল হোসেনের মেয়ে ও প্রেমিক মোঃ রাতুল নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের  মোঃ বাদল শেখের ছেলে।

ভুক্তভোগী প্রেমিকা সোনিয়া আক্তার মিম বলেন, রাতুলের সংন্গে ঢাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বসে আমাদের পরিচয় হয়। সেই সূএ ধরে আমাদের মাঝে দীর্ঘ দিন দরে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে রাতুলের পরামর্শে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলায় আমার খালুর বাসায় বেড়াতে আসি।

আরও পড়ুন

কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু

আমাদের সম্পর্কের কথা উভয় পরিবারকে জানালো হলে রাতুলের মা-বাবার আমাকে পছন্দ হয়নি বলে বিয়েতে বাধা হয়ে দাড়ান তারা দুজনে। তখন রাতুল আমাকে তাদের বাসায় চলে আসতে বললে আমি ওদের বাসায় চলে আসি। বাসায় আসা মাএই রাতুলের মা আমার সাথে চরম দূরব্যাবহার করে। একপর্যায়ে রাতুলের মা রাতুলকে তাদের বসতঘর থেকে অন্যএ সরিয়ে দিয়ে সে নিজেও ঘরে তালা মেরে পালিয়ে যান।

তবে আমিও যত দিনে আমাকে রাতুল স্ত্রী  হিসেবে স্বীকৃতি না দিবে এ বাড়ি থেকে কোথাও যাব না। এ ব্যাপারে প্রেমিক রাতুলের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব্যাবহারীত মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দেওয়া হলেও সে ফোন রিসিভ করেনি।

ভোরের আকাশ/সু.পা

শেয়ার করুন: