শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লিফট ছাড়াই চালু হচ্ছে ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে পিরোজপুর ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর পর চালু হতে যাচ্ছে ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পিরোজপুরের ২৫০ শয্যার আধুনিক জেলা হাসপাতাল। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে হাসপাতালের চারটি তলা পর্যন্ত চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ, আসবাবপত্র স্থাপন ও লিফট না থাকায় পূর্ণাঙ্গভাবে হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন হাসপাতালটি চালু হলে শুধু পিরোজপুর নয়, আশপাশের জেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষ আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসাসেবার সুযোগ পাবেন। এতে চিকিৎসার জন্য বিভাগীয় শহরে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হওয়ার প্রয়োজনও অনেকাংশে কমে আসবে।
১৯৮৪ সালে ৩১ শয্যা নিয়ে পিরোজপুর সদর হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৯৭ সালে নির্মিত হয় ৫০ শয্যার নতুন ভবন এবং ২০০৫ সালে সেটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ২০১৭ সালে পিরোজপুরবাসীর জন্য ২৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়। শুরুতে সাততলা ভবনের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা নয়তলায় উন্নীত করা হয়।

আরও পড়ুন

মাদারগঞ্জে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

করোনা মহামারির কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হলেও ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালটি লিফট ও বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় এতদিন উদ্বোধন করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে ১০০ শয্যার জেলা হাসপাতালে রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকে মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা কিংবা বরিশালে রেফার করা হয়। এ অবস্থায় নতুন হাসপাতাল ঘিরে মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শামীম শেখ বলেন, বর্তমান হাসপাতালে রোগীর প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। প্রায় ছয়-সাত বছর আগে নতুন ভবন নির্মাণ করা হলেও এখনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। দ্রুত হাসপাতালটি চালু হলে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তি অনেক কমবে।

ভোরের আকাশ/এনউব

হাসপাতাল

শেয়ার করুন: