শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চালকল মালিকদের সংবাদ সম্মেলন

ধান ও চালের ক্রয় মূল্যের সমন্বয়হীনতার অভিযোগ

চলনবিল প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৫, ২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ধান ও চালের ক্রয় মূল্যের সমন্বয়হীনতার অভিযোগ
ধান ও চালের ক্রয় মূল্যের সমন্বয়হীনতার অভিযোগ

সরকার কর্তৃক আসন্ন বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের মৌসুমে ধানের ক্রয় মূল্যের সঙ্গে চালের ক্রয় মূল্যের সমন্বয় না থাকার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে রায়গঞ্জ উপজেলা চালকল মালিক সমিতি।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চান্দাইকোনা চালকল মালিক সমিতির হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা চালকল মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল মোত্তালেব সরকার।

উপজেলা চালকল মালিক সমিতির পরিচালক ওমর ফারুক পান্নার সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি আয়নুল হক, উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম আকন্দ, পরিচালক এসএম সাগর সরকারসহ আরো অনেকে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সরকার ধানের দাম বেঁধে দিয়েছে ৩৬ টাকা ও চাউলের দাম বেধে দিয়েছেন ৪৯ টাকা। এক কেজি চাল তৈরি করতে আমাদের খরচ হচ্ছে ৫৭ টাকা। প্রতি মৌসুমে প্রত্যেক মিল মালিককে ১০-২০ লাখ টাকা ক্ষতির সম্মুখিন হতে হচ্ছে। এর ফলে মিল মালিকরা ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়ছে এবং মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। মিল গুলো বন্ধ হয়ে গেলে মিলের শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়বে। বক্তারা সরকারের কাছে এই নার্য্য ও যৌতিক দাবি পূরণের আহ্বান জানিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: