শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চকরিয়ায় মাংস বিক্রিতে কারচুপি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার জিদ্দাবাজারে গরুর মাংস বিক্রিতে ওজন ও দামে কারচুপির অভিযোগে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও বাজারে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বিষয়টি তদারকি করেন। অভিযানে দেখা যায়, গরুর প্রকৃত ওজনের সঙ্গে বিক্রিত মাংসের ওজনের গরমিল রয়েছে এবং নির্ধারিত বাজারমূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে একজন শ্রমিকের কাছে গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০১০ অনুযায়ী মো. আব্দু শুক্কুর নামের ওই মাংস ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার জন্য তাকে সতর্ক করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানানো হয়েছে, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, ওজন ও পরিমাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করতেই এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম নিয়মিত ও আকস্মিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়। স্থানীয় ভোক্তারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার হলে ভোক্তা হয়রানি কমবে এবং বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

ভোরের আকাশ/র.ই
 

রুপায়ন দেবকক্সবাজারভ্রাম্যমাণ আদালত

শেয়ার করুন: