শিরোনাম
বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থী

রাজবাড়ীতে ৪৮২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি

জেলা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৫, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজবাড়ীতে ৪৮২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি
রাজবাড়ীতে ৪৮২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি

তিন দফা দাবি আদায়ে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজবাড়ী জেলার ৪৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা পাঠদান থেকে বিরত থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন।

সোমবার (২৬ মে) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও পাঠদান থেকে বিরত রয়েছেন।

রাজবাড়ী শহরের শ্রীপুর ও টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষকরা যথারীতি বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও পাঠদান করছেন না। ক্লাসরুমগুলো খালি, শিক্ষার্থীরা কেউ খেলায়, কেউ চিত্রাঙ্কনে ব্যস্ত। কেউ কেউ আবার শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। শিক্ষকদের কেউ কেউ অফিসকক্ষে নথিপত্রে কাজ করছেন। প্রতিদিনের তুলনায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল কম।

শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহিনা আক্তার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা বেতন বৈষম্যের শিকার। প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য সরকারি চাকরিজীবীদের তুলনায় আমাদের বেতন অনেক কম। এ বৈষম্য দূর করার দাবিতে পাঠদান থেকে বিরত রয়েছি, তবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দেখভাল করছি।

একই দাবি জানিয়ে টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাহমিনা মুন্নি বলেন, আমরা নিয়মমাফিক স্কুলে আসছি, অফিসের অন্যান্য কাজ করছি। তবে পাঠদান করছি না। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার দিকেও নজর রাখছি।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার জানান, আমাদের বিদ্যালয়ে ৮ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। সবাই কর্মবিরতিতে থাকায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে। ফলে প্রধান শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ পড়ছে।

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে, যদিও এতে শিক্ষা কার্যক্রমে কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/জাআ

রাজবাড়ী

শেয়ার করুন: