শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিদ্বন্দিতায় টিকে আছে জামায়াত-বিএনপিসহ -৩৪ প্রার্থী

গাজীপুরে মনোনয়ন যাচাইয়ে বাদ পরেছে ১৯ প্রার্থী

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

আগামী  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩৪ জনকে বৈধ বলে ঘোষণা করেছে। 

এসময় নিয়মানুগ না হওয়া ,শর্ত পূরণে ব্যর্থতার ও নানা ত্রুটি থাকায় ১৯ প্রার্থীর  মনোনয়নপত্র  বাতিল ঘোষণা করা হয়। শনিবার (৩ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম হোসেন যাচাই-বাছাই শেষে নিজ কার্যালয়ে বিষয়টি প্রকাশ করেন। 

যাচাই প্রক্রিয়ায় গাজীপুরের কোনো আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি। গাজীপুর-১ (কালিয়াকৈর) আসনে দাখিলকৃত আটটি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বাতিল হয়েছে জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুল ইসলাম ও গণফ্রন্টের মো. আতিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র। 

যথাযথ ভাবে কাগজপত্র দাখিল না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ আসনে প্রতিদ্বন্দিতায় টিকে আছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. শাহ আলম বকশী, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর তাসলিমা আক্তার, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইমারাত হোসেন খান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন। গাজীপুর-২ আসনে সর্বাধিক ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে আটজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এক শতাংশ ভোটারের বৈধ সমর্থন না থাকায় খন্দকার রুহুল আমিন, জিত বড়ুয়া ও তাপসী তন্ময় চৌধুরী বাদ পড়েছেন। 

হলফনামায় তথ্যের অসঙ্গতির কারণে গণঅধিকার পরিষদের মাহফুজুর রহমান খান, মো. আতিকুল ইসলাম, যথাযথ হলফনামা না থাকায় জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ ইসরাফিল মিয়া, হলফনামা ও অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর না থাকায় জনতার দলের মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম এবং হলফনামায় ত্রুটির কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। 

এ আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে টিকে আছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ হোসেন আলী, বিএনপি মনোনীত এম মঞ্জুরুল করিম রনি,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হানিফ সরকার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. জিয়াউল কবির, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর মাসুদ রেজা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সরকার তাসলিমা আফরোজ, জাতীয় পার্টির মো. মাহবুব আলম, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর আব্বাস ইসলাম খান, জাতীয় নাগরিক পার্টির আলী নাছের খান এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর মো. আব্দুল কাইয়ুম। গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর) আসনে মোট ১০ জনের মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। 

কাগজপত্রে ত্রুটি ও শর্ত পূরণে ব্যর্থতার কারণে সংশ্লিষ্ট তিন প্রার্থী বাদ পড়েন। যারা বাদ পড়েছেন তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সাব্বির আলী ও ইজাদুর রহমান মিলন, ইসলামী ঐক্য জোটের হাফেজ মাওলানা মুফতি শামীম আহমেদ। 

এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি মনোনীত এস এম রফিকুল ইসলাম,  জাতীয় পার্টির মো. নাজিম উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আলমগীর হোসাইন। গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে দাখিলকৃত নয়টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে চারটি বাতিল করা হয়েছে। 

ইনকাম ট্যাক্স বকেয়া ও এক শতাংশ ভোটারের তালিকার ঘাটতির কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হাসেম, একই কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শফিউল্লাহ, হলফনামা যথাযথ না থাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. কাজিম উদ্দিন এবং হলফনামা ও অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর না থাকায় আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর মো. জাকির হোসেন বাদ পড়েন।

 এ আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে থাকছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সালাহ উদ্দিন আইউবী, বিএনপি মনোনীত শাহ রিয়াজুল হান্নান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মনির হোসেন, জাতীয় পার্টির এনামুল কবির এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মানবেন্দ্র দেব। গাজীপুর-৫ আসনে আটজন প্রার্থীর মধ্যে দুইজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

 নির্বাচনী ব্যয়ের তথ্য না থাকায় জাতীয় পার্টির ডাঃ মো. শফিউদ্দিন সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয় এবং প্রস্তাবক না থাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. রুহুল আমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য করা হয়। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে আছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. খায়রুল হাসান, বিএনপি মনোনীত এ কে এম ফজলুল হক মিলন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আল আমিন দেওয়ান, জনতার দলের মো. আজম খান, গণফোরামের মো. কাজল ভূঁইয়া এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান।

তথ্য বিশ্লেষনে দেখা গেছে,গাজীপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৫৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় বর্তমানে ৩৪ জন বৈধপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঠে রয়েছেন। রাজনীতি সংশ্লিষ্ট সচেতন নাগরীক সমাজ , মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। 

তারা আগামী নির্বাচনটিকে জনমানুষের মতামত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখতে চায় । যেন নির্বাচনটি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংসদ নির্বাচন হিসেবে জনমনে প্রতীয়মান হয়। এলক্ষে নির্বাচন আয়োজকারী সরকারী কর্মকর্তা - কর্মচারী এবং অংশগ্রহণকারীসহ সকল পক্ষকে দ্বায়ীত্বপূর্ণ আচরণ করার আহবান জানান।

ভোরের আকাশ/র.ই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

শেয়ার করুন: