শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হোসেনপুরে তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাথে সাথে কিশোরগঞ্জে হোসেনপুরে -কয়েকদিনের স্বস্তির বৃষ্টির পর আবারও শুরু হয়েছে তীব্র তাপদাহ। 

প্রচণ্ড গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও দিনমজুর শ্রেণির মানুষ পড়েছেন সীমাহীন দুর্ভোগে। 

উপজেলা বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তীব্রতা রুদ্ররূপ ধারণ করছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি ও অস্থিরতা বাড়ছে। 

শ্রমজীবী মানুষদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তীব্র গরমে তাদের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে, ফলে আয়ও কমে গেছে। 

রিকশাচালক সোহাগ হোসেন বলেন, “এই গরমে রিকশা চালানো খুবই কষ্টকর। দুপুরের পর রাস্তায় মানুষ কমে যায়, তাই তখন আর রিকশা চালাতে পারি না।” 

আরেক অটোরিকশা চালক  বাদল মিয়া জানান, “যাত্রী কমে যাওয়ায় ভাড়াও কম পাচ্ছি। এতে আয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। 

ভ্যানচালক সাবের হোসেন বলেন, “তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ভ্যান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই দুপুর হলেই কাজ বন্ধ করে বাড়ি ফিরে যেতে হয়।”

এদিকে পুমদী সাহবেরচর  জগদল, গোবিন্দপুর , হাজিপুর এলাকায় তাপদাহের প্রভাব আরও বেশি দেখা যাচ্ছে। 

প্রখর রোদের কারণে অনেক শ্রমিক মাঠে কাজ করতে পারছেন না। ফলে কৃষি কাজেও কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে  রাস্তাঘাটও দুপুরের পর প্রায় ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। 

কোথাও কোথাও মানুষকে ছায়ার নিচে বিশ্রাম নিতে কিংবা শরবত ও আখের রস পান করে কিছুটা স্বস্তি খুঁজতে দেখা গেছে। 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের তীব্র গরমে পানিশূন্যতা, হিটস্ট্রোকসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া, বেশি করে পানি পান করা এবং রোদ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। 

তাপদাহ অব্যাহত থাকলে জনজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

ভোরের আকাশ/ র.ই

তীব্র গরমবাদল মিয়া

শেয়ার করুন: