শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণের দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ৩:২৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

ভূমিকম্প এবং অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে খুলনার ঝঁকিপূর্ণ ভবনসমূহ অপসারণের দাবিতে খুলনা নাগরিক সমাজের উদ্যোগে খুলনার জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার এর নিকট বৃহস্পতিবার বিকেলে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দেশব্যাপী ৫.৭ মাত্রার ভূকিম্পে খুলনার উপর প্রভাবও ছিল আশংকাজনক। অনেক নাজুক ভবন ও দেয়াল হেলে, ধ্বসে পড়েছে বিভিন্ন স্থানে। ২০০৪ সালে খুলনা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসন এবং কেডিএ’র সাথে সমন্বয় করে ৪৮টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা করে তা অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়। পুনরায় ২০১০ সালে উক্ত ভবনগুলো ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সরকারি তালিকা অনুযায়ী খুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা ৪৮ টি হলেও সময়ের ব্যবধানে বিভিন্ন জরিপমতে বর্তমানে এর সংখ্যা ১৫০ এর অধিক এবং অধিকাংশ ভবন মহানগরীর বড় বাজার এলাকায়। জনাকীর্ণ এলাকায় উক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং এর আশপাশে যেভাবে দোকানপাট, গোডাউন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে এবং জনবসতি রয়েছে, অপ্রত্যাশিত যে কোন দূর্ঘটনায় বড় ধরণের প্রাণহানির আশংকা বিদ্যমান। একটু বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হলে ভবন ধ্বসে আশংকাজনক প্রাণহানী ও মানবিক বিপর্যয়ের সমূহ আশংকা রয়েছে। এমতাবস্থায় জনস্বার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সমূহ অপসারণের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অতিব জরুরী।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডঃ মোঃ বাবুল হাওলাদার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডঃ মোঃ বাবুল হাওলাদার, সংগঠনের সদস্য যথাক্রমে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু, আইন ও অধিকার বাস্তবায়ন ফোরামের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি এস এম দেলোয়ার হোসেন, মানবাধিকার সংগঠক জামাল মোড়ল, নাগরিক আইন পরিষদ খুলনার ইন্সট্রাক্টর এ্যাড. মেহেদী হাসান, কবি মোঃ রহমত আলী, ইমরান হোসেন, হাফিজুর রহমান, মোস্তফা হাসান প্রমুখ।

মত বিনিময় সভায় খুলনার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহ বিভিন্ন অসংগতি স্থান পায়। এসময়ে জেলা প্রশাসক সমস্যা সমাধানে তাঁর অবস্থান থেকে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ এ মতবিনিময় সভায় নাগরিক নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে সমূহ সমস্যার সমাধানে আন্তরিক উদ্যোগ প্রত্যাশা করেন।

ভোরের আকাশ/জাআ

স্মারকলিপিখুলনা

শেয়ার করুন: