শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে আফরোজা বেগম হত্যা

খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৫, ৩:৫২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রাম জেলা ঘোগাদহ ইউনিয়নের সোনালীকুটি গ্রামের আফরোজা বেগম হত্যার বিচার ও খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) বেলা১১টায় কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের বড় ছেলে মো. রবিউল অভিযোগ করে বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১৩ আগস্ট ১নং আসামি মোছা. জোহরা বেগমের নেতৃত্বে একদল আসামি তার মাকে (আফরোজা বেগম) মারধর করে। এরপর পরদিন রাতে পরিকল্পিতভাবে আসামিরা তাকে হত্যা করে ঘরের ধর্ণায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে এবং মিথ্যা অপবাদ ছড়ায় যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

রবিউল অভিযোগ করেন, তার মায়ের মৃত্যুর ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক জিডির কাগজে স্বাক্ষর নেন। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পরে ওই জিডির কপি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আফরোজা বেগম হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়। তারা হলেন— মোছা. জোহরা বেগম, মোছা. নাসিমা খাতুন, মোছা. হাসিনা বেগম, মোছা. ফরিদা বেগম, মোছা. জোসনা বেগম, মো. লাল মিয়া, মো. হামিদুল ইসলাম, মো. আরিফ হোসেন, মো. মাহবুর রহমান, মো. শাহাবুদ্দিন ও মো. সালাম।

প্রথমে নিহতের বোন মোছা. বকুল বেগম কর্তৃক থানায় দেওয়া জিডিতে আফরোজা বেগমের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, ১৪ আগস্ট রাত ১২টা থেকে ভোরের মধ্যে আফরোজা বেগম শয়নকক্ষে ওড়না দিয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন। ওই জিডির ভিত্তিতে কুড়িগ্রাম থানা একটি অপমৃত্যু মামলা (নং-২৩/২৫) রুজু করে।

তবে পরবর্তীতে নিহতের ছোট ভাই আদালতে দাখিল করা মামলায় অভিযোগ করেন, আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মারধর ও নির্যাতনের মাধ্যমে তার বোনকে হত্যা করে। মামলার এজাহারে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা লোহার রড, বাঁশের লাঠি, ছোরা ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আফরোজা বেগমকে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। এরপর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এমনকি লাশ দাফনের আগে চেয়ারম্যান ভুল বুঝিয়ে তড়িঘড়ি করে অপমৃত্যুর মামলায় স্বাক্ষর করান।

আদালতে দায়ের করা মামলায় নিহতের পরিবার আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ এনে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ভোরের আকাশ/মো.আ.
 

দাবিকুড়িগ্রামগ্রেপ্তারখুন

শেয়ার করুন: