শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দুইশ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি মৌলভীবাজার চা শ্রমিকদের

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৪ মে ২০২৫, ৬:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
দুইশ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি  মৌলভীবাজার চা শ্রমিকদের
দুইশ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি মৌলভীবাজার চা শ্রমিকদের

মৌলভীবাজার জেলার সাত উপজেলায় ৯৩টি চা বাগানে প্রায় নব্বই হাজার শ্রমিক কাজ করেন। চা বাগান প্রতিষ্ঠার প্রায় পৌনে দুইশ বছর তো বটেই দেশ স্বাধীন হওয়ার দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এসব চা শ্রমিকদের ঘরে সচ্ছলতা ফেরেনি, হয়নি জীবনমানের তেমন উন্নতি।

প্রতিবছর মে দিবস আসে, মে দিবস যায়। সারাদেশে ঘটা করে মহান মে দিবস পালিত হলেও চা- শ্রমিকদের ভাগ্যের যেন কোন পরিবর্তন হচ্ছেই না।  প্রতিবছর চায়ের উৎপাদন বাড়লেও চা শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নে নেই তেমন কোন পরিকল্পনা

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ বুনাজী ভোরের আকাশকে বলেন, ১৮৫৪ সালে বাংলাদেশে চা বাগানের যাত্রা শুরু হয়।

তার আগে থেকেই ব্রিটিশরা ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে কাজের কথা বলে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর মানুষকে এই এলাকায় বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসে। এখানে এনে এক প্রকার বন্দি করেই তাদের দিয়ে কাজ করানো হত।

তার ভাষ্য, আজকের যে সুন্দর চা বাগান দেখছেন, আগে এই জায়গাটা কেমন ছিল, তা কল্পনা করাও কঠিন। ঘন জঙ্গলে ঢাকা ছিল পুরো এলাকা। বিভিন্ন জীবজন্তুতে ভরপুর ছিল। চিতা বাঘ, বন্যহাতি, ভালুক, বন্য শুকরসহ বিভিন্ন প্রজাতির হিংস্র প্রাণী ছিল এই বনে। ছিল বিষাক্ত সাপ। এসবের সঙ্গে মোকাবেলা করে জঙ্গল কেটে এখানে বাগান সৃজন করা শ্রমিকদের জন্য ছিল বাধ্যতামূলক।

তিনি বলেন, এরপর থেকে এসব জাতি-গোষ্ঠির নামের পাশে সংযুক্ত হয় এক নতুন পরিচয় ‘চা শ্রমিক’।

শ্রীমঙ্গল হরিণ ছড়া বাগানের ফাঁড়ি বাগান মেকানীছড়ার বাসিন্দা প্রবীণ ব্যক্তি, অবসরপ্রাপ্ত চা শ্রমিক রাম সিং গোঁড় বলেন, তার বাবার আদি ভূমি ছিল ভারতের মধ্য প্রদেশের জবলপুর। চা চাষের জন্য তার বাবা এবং দাদা এই এলাকায় প্রথম আসেন।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন, বালিশিরা ভ্যালি সভাপতি বিজয় হাজরা বলেন, তাদের বর্তমান মজুরি দৈনিক মাত্র ১৭৮ টাকা। তা বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবি বহু দিনের। তবে এবারের মে দিবসে ভূমি অধিকারের পাশাপাশি তাদের দাবি, চা বাগান এলাকায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং বাগানে শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের চাকরির ব্যবস্থা করা।  

ভোরের আকাশ/এসআই

শেয়ার করুন: