শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসলামপুরে তিন বছরেও চালু হয়নি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরের ইসলামপুরে তিন বছরেও চালু হয়নি উপজেলার একমাত্র মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১০ শয্যার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি নির্মানের পর থেকেই অকেজো অবস্থায় পরে রয়েছে। ২০২৪ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হলেও ভবনটি এখনো উদ্বোধন হয়নি। ফলে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার মা ও শিশু রোগীরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দ্রত গতিতে নির্মাণ কাজ শেষ হলেও রহস্যজনক কারণে সেটি স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের আশার প্রতিফলন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিতে সেবা চলমান না  থাকায় বাধ্য হয়ে ছুটছেন জেলা শহরসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে।

ইসলামপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুসমিতা দত্ত বলেন, আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামও সরবরাহ করেছে। একজন ভিজিটর কাজ করছে। তবে ভবনটি উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। দ্রæতই উদ্বোধন হবে আশা রাখছি।

ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগত রোগী সরুফা বেগমের স্বজনরা বলেন, রোগীকে সিজার করাতে জরুরী ভাবে জামালপুর জেলা সদরে নিতে হচ্ছে। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি যদি চালু থাকত, তা হলে আমাদের এই ঝামেলা পোহাতে হতো না। আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সতো নামে মাত্র। এখানে শয্যা ও ডাক্তার দুটোই কম।

আরও পড়ুন

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এ এ এম আবু তাহের এ বিষয়ে বলেন, যদিও এটার দায়িত্ব আামাদের নয়। তবে এটি চালু হলে মা ও শিশুদের সেবার মান অনেক বৃদ্ধি হতো।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

যমুনা ব্রহ্মপুত্র বেস্টিত ইসলামপুর উপজেলাবাসী হাসপাতালটি চালুর দাবি জানিয়ে বলেন, মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রটি দ্রত চালু হওয়া দরকার। শিশুর চিকিৎসা বিলম্বিত হওয়া মানেই জীবন নিয়ে ঝুঁকি। তাই দ্রুত এই কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হলে ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাবে ইসলামপুরবাসী।

ভোরের আকাশ/এম

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

শেয়ার করুন: