শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বৃষ্টিতে ভাসল হিলির আলু চাষীদের স্বপ্ন

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬, ৩:০০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

দুই দিনের বিরামহীন বর্ষণে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মাঠের পর মাঠ আলুর ক্ষেত এখন থৈ থৈ পানিতে ভাসছে। কাদা আর পানিতে দীর্ঘ সময় ডুবে থাকায় ক্ষেতেই পচন ধরেছে আলুর। বুকভরা আশা নিয়ে যারা এবার আলু বুনেছিলেন, তাদের চোখে এখন কেবলই অন্ধকার।

সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা হন্যে হয়ে জমি থেকে পানি সরানোর চেষ্টা করছেন। কেউ বা আবার কাদা খুঁড়ে আধপচা আলু বের করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু বৈরী প্রকৃতি যেন কৃষকের সব শ্রমকে এক নিমেষেই ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।

মাঠের আলুর দিকে চেয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন কৃষক মনছুর রহমান, ভাঙা গলায় তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে মাঠের আলু শ্যাষ। পানিত ডুইব্যা আছে, ওঠানোর কোনো কায়দা নাই। কাদা খুঁইড়া যা একটু তুলতিছি, তার বেশিভাগই নষ্ট। কত কষ্ট কইরা আবাদটা করলাম, সব শ্যাষ হয়া গেল।

একই অবস্থা কৃষক ইয়াছিন আলীর। তিনি জানান, আমন ও বোরো আবাদের মাঝখানের সময়টাতে বাড়তি আয়ের আশায় আলু চাষ করেছিলেন। সার, বিষ আর বীজের চড়া দাম মিটিয়ে আবাদ করতে গিয়ে এবার খরচও হয়েছে অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি। অনেক কষ্টে যা-ও কিছু আলু কাদা থেকে তোলা সম্ভব হচ্ছে, তার মান এতটাই খারাপ যে পাইকাররা ফিরেও তাকাচ্ছে না। 

হাকিমপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১ হাজার ৩৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরা কৃষকদের আলু পরিপক্ব হওয়ার সাথে সাথেই তুলে ফেলার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কিন্তু বাজারে দাম কিছুটা কম থাকায় অনেকে হয়তো বেশি লাভের আশায় আলু তোলেননি। 

বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা কৃষকদের দ্রুত জমি থেকে পানি নিষ্কাশন করে শুকানোর পরামর্শ দিচ্ছি।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

স্বপ্নমনছুর রহমান

শেয়ার করুন: