শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কটিয়াদীতে তীব্র শীতে বাড়ছে শ্রমজীবীদের ভোগান্তি

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১:৩৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস ও কুয়াশার কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হতে চাইছে না, তবুও অনেক শ্রমজীবী কাজের দায়ে বাইরে বের হচ্ছেন।

কটিয়াদী পৌর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘যে ঠাণ্ডা পড়ছে, ঘর থেকে বের হতে মন চায় না, কিন্তু না বের হলে খাওয়া হবে না। পেটের দায়ে শীত উপেক্ষা করেই বের হতে হয়।দিন আনি দিন খাই, আরাম বলতে কিছুই নেই।’ তিনি গ্রামে ঘুরে মাছ বিক্রি করেন এবং ফজরের পরপরই কাঁধে ভার নিয়ে বের হয়েছেন।

মোহাম্মদ আলীর মতো আরো অনেকেই এ কষ্টে শ্রমজীবীর কাজে বের হয়েছেন। এরই মধ্যে নিকলী উপজেলায় রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) দেশের সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় নিকলী আবহাওয়া অফিসের রেকর্ড অনুযায়ী তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কে মানুষের চলাচল কম, বাজারে খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ আসছেন না, সন্ধ্যার আগেই পথঘাট খালি হয়ে যাচ্ছে। রাতে কুয়াশায় এলাকা ঢেকে যায় এবং যানবাহন চলাচলের জন্য লাইট ব্যবহার করতে হয়। সরকারি হাসপাতালে বেড়েছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, বিশেষ করে সর্দি-কাশি ও ঠাণ্ডার জন্য।

বয়োবৃদ্ধ ও হতদরিদ্র মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্ট করছেন। সকালে ও রাতে বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা দেখা গেছে। শীতের কারণে কৃষিকাজেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। বোরোধান রোপণের বীজতলা তৈরি করতে কৃষকরা সমস্যায় পড়ছেন।

জালালপুর ইউনিয়নের ফেকামারা গ্রামের খোকন আকন্দ বলেন, ‘সকাল থেকে বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে, বাতাসে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে আসছে।

শীতের কারণে কৃষিকাজ করতে পারছি না।’ অন্যদিকে, এলাকার আরেক বাসিন্দা সবুজ মিয়া বলেন, ‘সকালে সবজি নিয়ে বাজারে গেলাম, লোকজন খুব কম। প্রয়োজন না থাকলে আমিও বের হতাম না। এই শীতে স্বাভাবিক কাজগুলো করা কঠিন হয়ে গেছে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.


 


 

কিশোরগঞ্জ

শেয়ার করুন: