শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দশ হাজার রোহিঙ্গা পাচ্ছে বৈধ সিম কার্ড

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৫, ৯:১৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ১০ হাজার রোহিঙ্গাকে মুঠোফোনের সিম কার্ড দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (১০ নভেম্বর)  কর্মসূচির প্রথম দিন সিম কার্ড পেয়েছেন ১০০ জন রোহিঙ্গা নেতা। মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ জন রোহিঙ্গাকে সিম দেওয়া হবে।

সোমবার দুপুরে উখিয়ার মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরে সিম কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এ সময় তিনি রোহিঙ্গাদের সংগঠন ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহাংয়ের (ইউসিআর) সভাপতি এবং নির্বাহী কমিটির সদস্যদের কাছে সিম কার্ড হস্তান্তর করেন।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে আরআরআরসি কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, প্রথম ধাপে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরের ১০ হাজার রোহিঙ্গাকে সিম দেওয়া হবে। এরপর অন্য রোহিঙ্গাদের সিম বিতরণ করা হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩ আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরবর্তী কয়েক মাসে এসেছে অন্তত ৮ লাখ রোহিঙ্গা। এত দিন রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি মুঠোফোন কোম্পানির সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল না।

আরআরআরসির কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গাদের হাতে থাকা (ব্যবহৃত) সব অবৈধ সিম ব্লক করা হবে। আশ্রয়শিবিরে বৈধ সিম ব্যবহারের অনুমতি পাচ্ছেন ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে রোহিঙ্গারা। ফলে আইনের শাসন বজায় রাখা, অপরাধমূলক কার্যকলাপ প্রতিরোধ এবং অবৈধ সিম ব্যবহার করে পরিচালিত অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তিগত নজরদারি বৃদ্ধির ফলে আশ্রয়শিবিরে মাদক চোরাচালান ও সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ হবে।

রোহিঙ্গা নেতা কামাল হোসেন বলেন, ১০-১৫ বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বিভিন্ন মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সিম কিনে মুঠোফোনে ব্যবহার করছেন। আশ্রয় শিবিরে ইন্টারনেটও পাওয়া যায়। ফলে অবৈধ ব্যবহার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। অবৈধ সিম ব্লক করে রোহিঙ্গাদের বৈধ সিম প্রদান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) আওতাধীন দেশের চারটি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠান রোহিঙ্গাদের সিম দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিম নিতে হলে যেকোনো ব্যক্তির প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) দেখাতে হয়। তারপর বায়োমেট্রিক নিবন্ধন প্রয়োজন হয়। যেহেতু রোহিঙ্গাদের সে ধরনের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাই তাদের সিম দেওয়ার ক্ষেত্রে বিকল্প উপায় ব্যবহার করা হচ্ছে। মোবাইল অপারেটররা রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ভিন্ন নম্বর সিরিজ রেখেছে। জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) কাছে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন নম্বর রয়েছে। যেটাকে সাধারণত ‘প্রগ্রেস আইডি’ বলা হয়। সে আইডির বিপরীতে ১৮ বছরের বেশি বয়সী রোহিঙ্গাদের সিম দেওয়া হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/জাআ

কক্সবাজাররোহিঙ্গাসিম কার্ড

শেয়ার করুন: