শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অকেজো গাড়িই রাস্তায় মৃত্যুর ফাঁদ: বিআরটিএ চেয়ারম্যান

ময়মনসিংহ ব্যুরো

প্রকাশ : ৯ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৪২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

অকেজো ও ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলোই এখন রাস্তায় মৃত্যুর ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে— এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের হলরুমে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিআরটি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের রাস্তায় এখনো অসংখ্য অকেজো ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলছে, যা কালো ধোঁয়া ছড়ানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনার মূল কারণ। এগুলো শুধু ডাম্পিং নয়, ডিসমেন্টাল করাও সময়ের দাবি। এসব গাড়ি সরিয়ে ফেলতে পারলে দেশের সড়কের চেহারা বদলে যাবে।

তিনি বলেন, ড্রাইভিং পেশায় পেশাদারিত্ব আনতে সরকার ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করেছে। প্রশিক্ষণ শেষে বিআরটিসি থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। কিন্তু আমাদের রাস্তায় যত গাড়ি চলার কথা তার চেয়ে অনেক বেশি গাড়ি চলছে, যা সরাসরি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান তরুণদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বলেন, সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের ৩২ শতাংশই ৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী—যাদের নিয়ে আমরা উন্নয়নের স্বপ্ন দেখি, তারাই ঝরে যাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই লড়াই শুধু বিআরটিএ বা পুলিশের নয়, সবার। সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে নিহতদের সাত পরিবারকে ৩৫ লাখ টাকা এবং গুরুতর আহত একজনকে ৩ লাখ টাকাসহ মোট ৩৮ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়।

ভোরের আকাশ/এসএইচ
 

বিআরটিএ চেয়ারম্যানময়মনসিংহ

শেয়ার করুন: