শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাতের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড চরাঞ্চল, ঘরহারা অর্ধশত পরিবার

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সাগর মোহনা সংলগ্ন বিভিন্ন চরাঞ্চলে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে হঠাৎ আঘাত হানা ঝড়ে অর্ধশতাধিক পরিবারের বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। আকস্মিক এ দুর্যোগে ঈদের মাত্র কয়েকদিন আগে ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রাত প্রায় ২টার দিকে হঠাৎ প্রবল দমকা হাওয়াসহ ঝড় শুরু হয়। মুহূর্তেই তা তীব্র আকার ধারণ করে ঘূর্ণিঝড়ের মতো রূপ নেয় এবং সঙ্গে যোগ হয় শিলাবৃষ্টি। এতে টিনের চালা উড়ে যায়, কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশে যায়। আতঙ্কিত মানুষজন রাতের অন্ধকারে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি করেন।

ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ বলেন, “ঈদ দরজায় কড়া নাড়ছে, কিন্তু ঝড়ে আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও নেই। শুধু আমার পরিবার নয়, আরও অনেকেই ঘরহারা হয়েছে।” একই এলাকার হাসান, ইব্রাহিম, জসিম, আক্তার, রিয়াজ, শাহিন হাওলাদার, আনোয়ার ও গিয়াস উদ্দিনসহ বহু পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলার ঢালচর, কুকরি-মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর ফারুকি, চর মানিকা ও নজরুল নগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। চর মানিকা ইউনিয়নের চর কচ্চপিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম জানান, ঝড়ের তাণ্ডবে স্থানীয় বাজারের একাধিক দোকানের চালা উড়ে গেছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢালচর ইউনিয়নে অন্তত ৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া চর মানিকা ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকায় আরও প্রায় ২০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢালচর ইউনিয়নের প্রশাসক ও বন কর্মকর্তা মুইনুল ইসলাম জানান, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। চর মানিকা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মিনারা বেগমও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ঈদের আনন্দের প্রহর গোনার বদলে এখন ঘর পুনর্গঠন আর বেঁচে থাকার লড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন উপকূলীয় এসব মানুষ।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন বলেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত সহায়তা দেওয়া হবে। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিএম ওয়ালিউল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

প্রাকৃতিক দুর্যোগএমাদুল হোসেন

শেয়ার করুন: