বারির উন্নত পানিকচুর জাত নিয়ে কৃষকদের মাঠ দিবস

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) ‘কন্দাল ফসল গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প’-এর আওতায় উন্নত জাতের পানিকচুর বিস্তার বিষয়ে একটি মাঠ দিবস জেলা সদরের তরৎপাড়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বারির পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা। তিনি বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরনের পানিকচুর চাষ হলেও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত পানিকচুর ৯টি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে। এসব জাত গলাধরামুক্ত, সহজে ও সমানভাবে সিদ্ধ হয় এবং উচ্চ ফলনশীল।
তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমে অন্যান্য সবজির সরবরাহ কমে গেলে কচুর লতি ও অন্যান্য কচুজাতীয় ফসল দেশের সবজির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শামসুল আলম বলেন, কচুর লতি বর্তমানে সব শ্রেণির ভোক্তার কাছে জনপ্রিয় একটি সবজি। দেশে উৎপাদিত মোট কচু ফসলের প্রায় এক-চতুর্থাংশই কচুর লতি, যা এর চাহিদা ও গুরুত্বের প্রমাণ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘কন্দাল ফসল গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প’-এর প্রকল্প পরিচালক ড. মো. খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, কচু আয়রনসমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর খাদ্য এবং রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে কচুর লতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই উন্নত জাতের চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বারির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফেরদৌসী বেগম, স্থানীয় কৃষক, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। মাঠ দিবসে উন্নত জাতের পানিকচুর বৈশিষ্ট্য, চাষাবাদ পদ্ধতি ও সম্ভাবনা সম্পর্কে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।
ভোরের আকাশ/জেআ