শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লোডশেডিংয়ে ৯০ দশকের ছোঁয়া, চেরাগের আলোয় চলছে গ্রামীণ বাজার

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ বাজারে যেন ফিরে এসেছে ৯০ দশকের সেই চেনা দৃশ্য। আধুনিক বিদ্যুৎ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসায়ীরা আবারও চেরাগ ও হারিকেনের আলোয় দোকান চালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

উপজেলার কানাইটিকর দিঘিরপার মোকামবাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা নামতেই একে একে নিভে যায় বৈদ্যুতিক বাতি। অন্ধকার নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে দোকানগুলোতে জ্বলে ওঠে চেরাগ কিংবা হারিকেন। আধুনিক সময়েও এমন পরিস্থিতিতে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।

এবিষয়ে হান্নান মিয়া, জাহির আহমদসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, এখনকার দিনে এমন পরিস্থিতি সত্যিই দুঃখজনক। মনে হচ্ছে আমরা আবার ৯০ দশকে ফিরে গেছি। চেরাগ জ্বালিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে, যা কল্পনাও করা যায় না।

এদিকে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীরাও পড়েছেন বিপাকে। এবিষয়ে কামরান আহমদ,সিয়াম আহমদ, ফাম্মি আক্তার-সহ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, সন্ধ্যা হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়, ৪-৫ ঘণ্টা পর আবার আসে। এতে ঠিকভাবে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্তত রাতের বেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম নাহিদ, রাজু আহমদ,নাজিম উদ্দিন, ছয়ফুল ইসলাম সহ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, দিনে-রাতে মিলিয়ে প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সামান্য বাতাস বা বৃষ্টিতেই বিদ্যুৎ চলে যায়, আবার কখন আসবে তারও নির্দিষ্ট সময় নেই। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

লোডশেডিংয়ের এই দুর্ভোগ কবে শেষ হবে, এ প্রশ্ন এখন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

ভোরের আকাশ/আ.র

৯০ দশকের ছোঁয়া

শেয়ার করুন: